আপনি কি অজানা ভয়, মানসিক দুশ্চিন্তা, জাদুটোনা বা শয়তানের কুমন্ত্রণা নিয়ে চিন্তিত? মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষের সুরক্ষার জন্য পবিত্র কোরআনে দুটি শক্তিশালী সূরা নাযিল করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো সূরা নাস (Surah An-Nas)।
এটি পবিত্র কোরআনের ১১৪তম এবং সর্বশেষ সূরা। ‘নাস’ শব্দের অর্থ মানুষ। শয়তানের অনিষ্ট এবং মানুষের কুচিন্তা থেকে বাঁচার জন্য এই সূরাটি মুমিনের জন্য একটি শক্তিশালী ঢাল বা রক্ষাকবচ। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সূরা নাস বাংলা উচ্চারণ, সূরা নাস বাংলা অর্থসহ শানে নুযূল এবং আমল করার সঠিক নিয়ম জানব।
সূরা নাস পরিচিতি (সংক্ষিপ্ত তথ্য, নামকরণ ও অবতীর্ণ স্থান)
পাঠকদের সুবিধার্থে সূরাটির সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিচে ছক আকারে দেওয়া হলো:
| তথ্যের বিষয় | বিবরণ |
| সূরার নাম | আন-নাস (মানুষ) |
| ক্রমিক নং | ১১৪ |
| আয়াত সংখ্যা | ৬টি |
| রুকু সংখ্যা | ১টি |
| অবতীর্ণ স্থান | মদীনা (মতান্তরে মক্কা) |
| বিশেষ নাম | মুআ’ওবিযাতাইন (সূরা ফালাকের সাথে একত্রে) |
সূরা নাসের শানে নুযূল: কেন নাযিল হয়েছিল?
সূরা নাস এবং এর পূর্ববর্তী সূরা সূরা ফালাক নাযিল হওয়ার পেছনে একটি বিশেষ ঘটনা রয়েছে। ঘটনাটি ধাপে ধাপে নিচে দেওয়া হলো:
১. জাদুর প্রভাব: লবীদ ইবনে আ’সাম নামের এক ইহুদি ও তার মেয়ে মিলে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ওপর জাদু (সিহর) করে। এর প্রভাবে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মাঝে মাঝে কিছুটা বিভ্রান্ত বোধ করতেন।
২. জিবরাঈল (আঃ)-এর আগমন: আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে হযরত জিবরাঈল (আঃ) এসে নবীজিকে জানান যে, তাঁকে জাদু করা হয়েছে। জাদুর সরঞ্জাম একটি কুপের (বির যরোয়ান) নিচে পাথরের চাপা দিয়ে রাখা আছে।
৩. জাদু উদ্ধার: রাসূল (সাঃ) সাহাবীদের পাঠিয়ে সেই জাদুর সরঞ্জাম উদ্ধার করেন। সেখানে খেজুরের আবরণে একটি চিরুনি এবং তাতে ১১টি গিরা (গিঁট) পাওয়া যায়।
৪. মুক্তি লাভ: তখন আল্লাহ তায়ালা সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাযিল করেন। রাসূল (সাঃ) একেকটি আয়াত পড়েন আর একটি করে গিরা খুলে যায়। এভাবে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।
এই ঘটনা প্রমাণ করে, জিন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে সূরা নাসের কোনো বিকল্প নেই।
সূরা নাসের আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ
সূরা নাস আরবি উচ্চারণ

قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾﴾اِلٰهِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۬ۙ الۡخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾الَّذِیۡ یُوَسۡوِسُ فِیۡ صُدُوۡرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾مِنَ الۡجِنَّۃِ وَ النَّاسِ﴿۶ۙ
সূরা নাস নাসের উচ্চারণ (Sura nas bangla)
(বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম)
১. ক্বুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন্ না-স।
২. মালিকিন্ না-স।
৩. ইলা-হিন্ন না-স।
৪. মিন্ শার্রিল ওয়াস্ওয়া-সিল খান্না-স।
৫. আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু ফী সুদূরিন্ না-স।
৬. মিনাল্ জিন্নাতি ওয়ান্না-স।
সূরা নাস বাংলা অর্থসহ
(পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি)
১. বলুন! আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের প্রতিপালকের।
২. মানুষের অধিপতির (মালিকের)।
৩. মানুষের উপাস্যের (মা‘বুদের) কাছে
৪. আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে।
৫. যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়।
৬. (সে) জিনদের মধ্য থেকে হোক অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
সূরা নাসের শব্দার্থ
| আরবি শব্দ | বাংলা অর্থ |
| قُلْ (ক্বুল) | বলুন / বলো |
| أَعُوذُ (আ‘ঊযু) | আমি আশ্রয় চাই / আমি শরণাপন্ন হই |
| بِرَبِّ النَّاسِ (বিরাব্বিন্ না-স) | মানুষের প্রতিপালকের কাছে |
| مَلِكِ النَّاسِ (মালিকিন্ না-স) | মানুষের অধিপতির (মালিক) |
| إِلَهِ النَّاسِ (ইলা-হিন্ন না-স) | মানুষের উপাস্যের (মা‘বুদ) |
| مِن شَرِّ (মিন্ শার্রি) | অনিষ্ট থেকে |
| الْوَسْوَاسِ (আল্ ওয়াস্ওয়া-স) | কুমন্ত্রণাদাতা |
| الْخَنَّاسِ (আল্ খান্না-স) | আত্মগোপনকারী (যে কুমন্ত্রণা দিয়ে লুকিয়ে যায়) |
| الَّذِي يُوَسْوِسُ (আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু) | যে কুমন্ত্রণা দেয় |
| فِي صُدُورِ النَّاسِ (ফী সুদূরিন্ না-স) | মানুষের অন্তরে |
| مِنَ الْجِنَّةِ (মিনাল্ জিন্নাতি) | জিনদের মধ্য থেকে |
| وَالنَّاسِ (ওয়ান্না-স) | এবং মানুষের মধ্য থেকে |
সূরা নাসের তাফসীর (ব্যাখ্যা ও মূল শিক্ষা)
এই সূরার মূল বিষয়বস্তু হলো, প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে একমাত্র আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা (ইস্তিআ’যা)। এখানে আল্লাহ্কে তাঁর তিনটি প্রধান গুণের মাধ্যমে ডাকা হয়েছে:
১. রব্বিন্ না-স (মানুষের প্রতিপালক): আল্লাহ মানুষের সৃষ্টিকর্তা, লালনকারী এবং প্রশিক্ষক। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, আশ্রয় প্রার্থনাকারী আল্লাহর করুণা ও তত্ত্বাবধানের উপর নির্ভরশীল।
২. মালিকিন্ না-স (মানুষের অধিপতি): আল্লাহ সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। এর মাধ্যমে শয়তানের ক্ষমতাকে অস্বীকার করে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
৩. ইলা-হিন্ন না-স (মানুষের উপাস্য): আল্লাহই একমাত্র উপাসনার যোগ্য। এর মাধ্যমে মানুষের উচিত যে শুধু তাঁরই ইবাদত করা এবং তাঁরই কাছে সাহায্য চাওয়া, শয়তানের প্ররোচনা থেকে দূরে থাকা।
৪. ওয়াসওয়াসিল খান্নাস (কুমন্ত্রণাদাতা ও আত্মগোপনকারী):
- ওয়াসওয়াস: এটি এমন সূক্ষ্ম কুমন্ত্রণা যা শয়তান মানুষের অন্তরে দিয়ে তাকে মন্দ কাজের দিকে প্ররোচিত করে।
- খান্নাস: এর অর্থ হলো ‘যে বারবার আত্মগোপন করে’। যখন মানুষ আল্লাহকে স্মরণ করে, তখন শয়তান দূরে সরে যায় এবং লুকিয়ে যায়। আবার যখন আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়, তখনই সে ফিরে এসে কুমন্ত্রণা দিতে শুরু করে।
- জিন্নাতি ওয়ান্না-স (জিন ও মানুষ): শয়তান দুই ধরনের, জিন শয়তান এবং মানুষ শয়তান। জিন শয়তান অদৃশ্যভাবে অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। আর মানুষ শয়তান হলো সেইসব মানুষ, যারা মন্দ কথা বা কাজের মাধ্যমে অন্যকে পাপের পথে আহ্বান করে। এই সূরায় উভয় প্রকার শয়তানের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
মূল শিক্ষা:
- শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো আল্লাহর তিনটি মহান গুণ (প্রভুত্ব, মালিকানা, উপাস্য) স্মরণ করে তাঁর কাছে অবিচল আশ্রয় প্রার্থনা করা।
- শয়তান মানবজাতির সবচেয়ে বড় শত্রু এবং তার কুমন্ত্রণা অত্যন্ত সূক্ষ্ম, যা মন ও হৃদয়ের গভীরে প্রবেশ করে।
- এই সূরাটি মুসলিমদেরকে শিখিয়েছে যে, মানুষের হৃদয়ের শান্তি এবং নিরাপত্তা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার মধ্যেই নিহিত।

সূরা নাসের ফজিলত
হাদিসের আলোকে সূরা নাসের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে এর কিছু প্রধান ফজিলত ও আমল তুলে ধরা হলো:
- যাদু টুনা থেকে মুক্তি: রাসূল (সাঃ) বলেছেন, সূরা ফালাক ও সূরা নাসের সমতুল্য অন্য কোনো সূরা তওরাত, ইঞ্জিল বা জাবুর কিতাবেও নেই। জাদু নষ্ট করতে এই সূরার জুড়ি নেই।
- সর্বোত্তম নিরাপত্তা: হাদিসে এসেছে, “যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস ৩ বার করে পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে সকল বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবেন।” (তিরমিযী: ২৯০৩)
- ঘুমের আমল: রাসূল (সাঃ) প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে দুই হাত একত্র করে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফুঁ দিতেন এবং পুরো শরীর মুছে নিতেন। এটি তিনবার করতেন। এতে সারা রাত শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকা যায়। (বুখারী: ৫০১৭)
সূরা নাসের উপকারিতা ও আমল
সূরা নাস হলো সকল প্রকার ভয়, আশঙ্কা, হিংসা এবং অদৃশ্য ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য মুসলিমদের ঢালস্বরূপ।
গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ:
- দৈনিক পাঠ: সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস, এই তিনটি সূরা তিনবার করে পাঠ করা সুন্নত।
- ঘুমের আগে: হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় নিজের উভয় হাত একত্রিত করে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়তেন। তারপর উভয় হাতে ফুঁক দিয়ে যতদূর সম্ভব শরীর মুছে নিতেন। তিনি মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। তিনি এরূপ তিনবার করতেন। (সহীহ বুখারী, হাদিস: ৫০১৭)।
- ফরজ সালাতের পর: ফজর ও মাগরিবের ফরজ সালাতের পর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস প্রতিটি সূরা তিনবার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য ফরজ সালাতের পর একবার করে পড়া সুন্নত।
- রোগ নিরাময়ের জন্য: অসুস্থ হলে সূরা দু’টি পড়ে শরীরে ফুঁক দেওয়া বা পানিতে ফুঁক দিয়ে পান করা ও মালিশ করাও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
সূরা নাস সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর (FAQ)
প্রশ্ন: সূরা নাসকে কেন মুআ’ওবিযাতাইন বলা হয়?
উত্তর: সূরা নাস এবং এর আগের সূরা, সূরা ফালাক, এই দুটি সূরার মূল বিষয়বস্তু হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় বা পানাহ চাওয়া। তাই এই দুটি সূরাকে একত্রে ‘মুআ’ওবিযাতাইন’ (আশ্রয় প্রার্থনার দু’টি সূরা) বলা হয়।
প্রশ্ন: সূরা নাসে কত প্রকার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে?
উত্তর: এই সূরায় মূলত ‘ওয়াসওয়াসিল খান্নাস’ তথা কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে, যা দুই ধরনের, জিন শয়তান এবং মানুষ শয়তান।
প্রশ্ন: সূরা নাস কি শুধু জাদু থেকে রক্ষার জন্য?
উত্তর: না। যদিও এটি জাদু থেকে মুক্তির জন্য নাযিল হয়েছিল, তবে এটি সকল প্রকার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনিষ্ট, হিংসা, ভয় এবং শয়তানের কু-চিন্তা বা কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর আশ্রয় লাভের একটি সর্বজনীন ও শক্তিশালী দু’আ।
প্রশ্ন: নামাজের কোন রাকাতে সূরা নাস পড়া উত্তম?
উত্তর: নামাজের যেকোনো রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা নাস পড়া যায়। তবে সাধারণত নিয়ম হলো, কোরআনের ক্রমধারা বজায় রাখা। তাই অনেকে প্রথম রাকাতে সূরা ফালাক এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা নাস পড়েন। তবে যেকোনো রাকাতে এটি পড়া বৈধ।
প্রশ্ন: বদনজর থেকে বাঁচতে সূরা নাস কীভাবে আমল করব?
উত্তর: বদনজর বা নজর লাগা থেকে বাঁচতে সূরা নাস ও সূরা ফালাক অত্যন্ত কার্যকরী। কারো নজর লাগলে বা শিশুদের সুরক্ষার জন্য এই দুটি সূরা পড়ে শরীরে বা পানিতে ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: সূরা ফালাক ও সূরা নাসের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: খুব সুন্দর একটি পার্থক্য আছে। সূরা ফালাক-এ আমরা বাইরের জগতের বিপদ (যেমন: অন্ধকার, হিংসুক, জাদুকর) থেকে আশ্রয় চাই। আর সূরা নাস-এ আমরা আমাদের মনের ভেতরের বিপদ (যেমন: শয়তানের কুমন্ত্রণা, খারাপ চিন্তা) থেকে আশ্রয় চাই।
প্রশ্ন: মানসিক অশান্তি বা দুশ্চিন্তা দূর করতে সূরা নাস কি কার্যকর?
উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই। সূরা নাসের মূল বিষয়বস্তুই হলো ‘ওয়াসওয়াসা’ বা কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচা। বেশিরভাগ মানসিক অশান্তি, ভয় বা ডিপ্রেশন শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকেই আসে। তাই অর্থ বুঝে বেশি বেশি সূরা নাস পাঠ করলে মনের অস্থিরতা কমে এবং প্রশান্তি আসে।
প্রশ্ন: বাচ্চাদের জিদ বা কান্না থামাতে সূরা নাস কীভাবে পড়ব?
উত্তর: ছোট বাচ্চারা অনেক সময় অকারণে কাঁদে বা ভয় পায়, যা শয়তানের প্রভাবে হতে পারে। এক্ষেত্রে বাবা-মা ওজু করে সূরা নাস ও সূরা ফালাক পড়ে বাচ্চার গায়ে ফুঁ দিলে বা হাত বুলিয়ে দিলে বাচ্চারা শান্ত হয় এবং নিরাপদে থাকে।

কুরআনের অন্যান্য সূরা ও ফজিলত সম্পর্কে জানুন
- আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত, অর্থ ও ফজিলত
- সূরা আসর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, তাফসির ও ফজিলতসহ পূর্ণাঙ্গ গাইড
- সূরা কদর বাংলা উচ্চারণ অর্থসহ কুরআনের বরকতময় রাতের বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- সূরা ইয়াসিন বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ পূর্ণাঙ্গ আলোচনা
- সূরা কাওসার বাংলা অর্থ ও উচ্চারণসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা
- সূরা বাকারার শেষ তিন আয়াত বাংলা অর্থ ও উচ্চারণসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা
- সূরা মুলক বাংলা, আরবি উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
- সূরা ফালাক বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- সূরা কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
- সূরা ফাতেহা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ: ফজিলত, গুরুত্ব ও সম্পূর্ণ গাইড
- সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা: এক চূড়ান্ত সতর্কবার্তা
- সূরা আর রহমান বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত তাফসির: আল্লাহর অসীম দয়ার ঘোষণা
- সূরা মূলক-এর ফজিলত, গুরুত্ব, হাদিস ও উপকারিতা: সম্পূর্ণ গাইডলাইন
- সূরা ইখলাস বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ: ফজিলত, ব্যাখ্যা ও সম্পূর্ণ গাইডলাইন
- সূরা বাকারার ফজিলত: কুরআনের দীর্ঘতম সূরার অসংখ্য বরকত ও উপকারিতা








