পবিত্র কুরআনুল কারীমের একাদশতম সূরা হলো সূরা লাহাব। এটি মক্কী সূরাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ, যা এমন একজন ব্যক্তির কঠোর পরিণতি বর্ণনা করে, যিনি আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর নিকটাত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও ইসলামের বিরুদ্ধে চরম বিরোধিতা করেছিলেন। সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা অনুধাবন করা মুসলিমদের জন্য এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং নৈতিক শিক্ষা বোঝার জন্য অপরিহার্য।
সূরা লাহাব পরিচিতি ও প্রেক্ষাপট
সূরা লাহাবের প্রতিটি আয়াতে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতিফলন এবং একটি সার্বজনীন নৈতিক শিক্ষা।
সূরার নামকরণ ও মৌলিক তথ্য
- সূরার নাম: এর নাম রাখা হয়েছে এর কেন্দ্রীয় চরিত্র আবু লাহাবের নামানুসারে। লাহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শিখা বা অগ্নিশিখা। এটি সূরা মাসাদ নামেও পরিচিত, যার অর্থ হলো খেজুরের আঁশের পাকানো রশি।
- ক্রম ও সংখ্যা: পবিত্র কুরআনে এটি ১১১তম সূরা এবং এতে মোট পাঁচটি আয়াত রয়েছে।
- অবতরণের স্থান: এটি মাক্কী সূরা হিসেবে পরিচিত, অর্থাৎ মক্কায় হিজরতের পূর্বে এটি অবতীর্ণ হয়।
সূরা লাহাবের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
এই সূরাটি নাজিলের প্রেক্ষাপট ইসলামের সূচনালগ্নের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
- সাফা পাহাড়ের আহ্বান: যখন আল্লাহ্ তাআলা রাসূল (সা.)-কে প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচারের নির্দেশ দেন, তখন তিনি সাফা পাহাড়ে উঠে কুরাইশ গোত্রের লোকদের ডেকে একত্ববাদের দাওয়াত দেন।
- আবু লাহাবের বিরোধিতা: মহানবী (সা.) যখন তাঁর দাওয়াত পেশ করেন, তখন তাঁর আপন চাচা আব্দুল উযযা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (আবু লাহাব নামে পরিচিত) সর্বপ্রথম তাঁর চরম বিরোধিতা করেন। ক্রুদ্ধ হয়ে আবু লাহাব বলেছিল, “তোমার সর্বনাশ হোক! এজন্যই কি তুমি আমাদের ডেকেছ?”
- সূরার অবতরণ: আবু লাহাবের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথার জবাব এবং তার কঠোর পরিণতির ভবিষ্যদ্বাণী করে আল্লাহ্ তাআলা তৎক্ষণাৎ এই সূরাটি নাজিল করেন।
আবু লাহাব ও তার স্ত্রীর ভূমিকা
আবু লাহাব কেবল বিরোধিতা করেই ক্ষান্ত হননি, তাঁর স্ত্রীও এই শত্রুতায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।
- আবু লাহাবের ক্ষমতা: আবু লাহাব ছিল কুরাইশ গোত্রের একজন ধনী এবং প্রভাবশালী নেতা। তার সম্পদ ও ক্ষমতার অহংকার ছিল চরমে।
- উম্মে জামিলের চক্রান্ত: তাঁর স্ত্রী উম্মে জামিল (আবু সুফিয়ানের বোন) রাতের আঁধারে রাসূল (সা.)-এর চলার পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখত এবং মানুষের মধ্যে রাসূল (সা.) ও ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও ফিতনা (গীবত) ছড়িয়ে বেড়াত।
সূরা লাহাব বাংলা, আরবি উচ্চারণ ও অর্থ
এই সূরাটি সহজ হলেও এর সঠিক আরবি উচ্চারণ ও অর্থ জানা খুবই জরুরি।
সূরা লাহাবের আরবি উচ্চারণ | sura lahab arbi uchcharon
بِسۡمِاللّٰهِالرَّحۡمٰنِالرَّحِيۡمِ
تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ
مَا أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ
سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ
فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ
সূরা লাহাবের বাংলা উচ্চারণ | sura lahab bangla uchcharon
বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহিম
(১) তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাবিউঁ ওয়া তাব্বা
(২) মা আগনা ‘আনহু মা-লুহূ ওয়া মা কাসাব
(৩) সাইয়াছলা না-রাণ যা-তা লাহাবিউঁ
(৪) ওয়ামরাআতুহূ, হাম্মা-লাতাল হাত্বাব
(৫) ফী জীদিহা হাবলুম মিম মাসাদ ।
সূরা লাহাবের বাংলা অর্থ | sura lahaber bangla ortho
(১) আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হৌক এবং ধ্বংস হৌক সে নিজে
(২) তার কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা কিছু সে উপার্জন করেছে
(৩) সত্বর সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
(৪) এবং তার স্ত্রীও; যে ইন্ধন বহনকারিণী
(৫) তার গলদেশে খর্জুর পত্রের পাকানো রশি।
আয়াতভিত্তিক বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও তাফসির
সূরা লাহাবের প্রতিটি আয়াতে রয়েছে একটি নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী এবং তার গভীর কারণ।
প্রথম ও দ্বিতীয় আয়াতের ব্যাখ্যা: ক্ষমতার ধ্বংস
- “তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাবিওঁ ওয়া তাব্বা”: এই আয়াতে ‘হাত ধ্বংস হোক’ বলতে আবু লাহাবের ক্ষমতা, প্রচেষ্টা এবং সকল শক্তি ব্যর্থ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, সে নিজেও ধ্বংস হোক। এটি তার দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই অনিবার্য ধ্বংসকে নির্দেশ করে।
- “মা আগনা আনহু মালুহু ওয়ামা কাসাব”: এই আয়াতটি ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অহংকারীদের জন্য এক চরম সতর্কবার্তা। আবু লাহাবের বিপুল ধন-সম্পদ, যা নিয়ে সে গর্ব করত, আল্লাহর শাস্তির মোকাবিলায় তা সম্পূর্ণ মূল্যহীন প্রমাণিত হবে। তার উপার্জন, পুত্র-সন্তান বা তার প্রভাব—কিছুই তাকে রক্ষা করতে পারবে না।
তৃতীয় আয়াতের ব্যাখ্যা: জাহান্নামের কঠোরতা
- “সাইয়াছলা না-রান যা-তা লাহাবিঁও”: এই আয়াতে আবু লাহাবকে তার নামের সাথে সম্পর্কিত এক কঠোর শাস্তির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সে এমন এক লেলিহান অগ্নিতে প্রবেশ করবে, যা তার নাম লাহাবের অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই আয়াত নিশ্চিত করে যে সে কখনোই ইসলাম গ্রহণ করবে না।
চতুর্থ ও পঞ্চম আয়াতের ব্যাখ্যা: উম্মে জামিলের পরিণতি
- “ওয়ামরাআতুহ, হাম্মা-লাতাল হাত্বাব”: আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিলকে ‘ইন্ধন বহনকারী’ বলা হয়েছে। এর দুটো অর্থ রয়েছে:
১. শারীরিক কর্মকাণ্ড: সে রাসূল (সা.)-কে কষ্ট দেওয়ার জন্য রাতে কাঁটাযুক্ত ঝোপের ডালপালা বা কাঠ বহন করে তাঁর পথে বিছিয়ে দিত।
২. রূপক অর্থ: সে ছিল ফিতনা, গীবত ও মিথ্যা প্রচারের বাহক। এই ফিতনাগুলোই কিয়ামতের দিন আগুনের ইন্ধন বা জ্বালানি কাঠ হিসেবে তার ওপর চাপানো হবে।
- “ফী জীদাহা- হাবলুম মিম মাসাদ”: মাসাদ অর্থ হলো শক্ত খেজুরের আঁশ বা রশি। দুনিয়াতে সে যেমন অন্যের ওপর ফিতনা চাপিয়ে দিত, আখেরাতে শাস্তিস্বরূপ তার গলায় খেজুরের আঁশের মতো শক্ত পাকানো জাহান্নামের রশি থাকবে, যা তাকে অপমানজনকভাবে জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাবে।
সূরা লাহাবের মূল শিক্ষা ও বর্তমান সমাজের প্রয়োগ
সূরা লাহাবের শিক্ষাগুলি কেবল আবু লাহাবের সময়ের জন্যই নয়, এটি সব যুগের মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা
- সম্পদের মূল্যহীনতা: এই সূরা দৃঢ়ভাবে শিক্ষা দেয় যে, পার্থিব সম্পদ, বংশীয় মর্যাদা বা ক্ষমতা আল্লাহর ক্রোধ থেকে কাউকে রক্ষা করতে পারে না। তাকওয়াহীন ধন-সম্পদ ধ্বংসের কারণ হতে পারে।
- আল্লাহর ওয়াদার পূর্ণতা: এটি রাসূল (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর সাহায্য এবং শত্রুদের পরাজয়ের সুনিশ্চিত ওয়াদার প্রমাণ। এটি সকল মুসলিমের ঈমানকে দৃঢ় করে।
মিথ্যা প্রচার ও ফিতনা বিষয়ে সতর্কতা
- সামাজিক ক্ষতি: উম্মে জামিলের ‘ইন্ধন বহন’ এর কাজটি আজকের যুগে মিথ্যা তথ্য, গীবত এবং ফিতনা ছড়ানোর সঙ্গে তুলনীয়। এই সূরা আমাদের সতর্ক করে যে, যারা সমাজে অশান্তি ও বিভেদ সৃষ্টি করে, তাদের পরিণতিও অত্যন্ত কঠোর।
- চক্রান্তের ব্যর্থতা: এই সূরা প্রমাণ করে যে, সত্যের বিরুদ্ধে যত চক্রান্তই করা হোক না কেন, আল্লাহর ইচ্ছায় তা অবশ্যই ব্যর্থ হবে।
নিয়মিত সূরা লাহাব পাঠের গুরুত্ব
নিয়মিতভাবে এই সূরা পাঠ করলে পাঠকের মনে গভীর আধ্যাত্মিক প্রভাব পড়ে।
ঈমানের দৃঢ়তা বৃদ্ধি
- আল্লাহর অলৌকিক ক্ষমতা: এই সূরাটি ছিল আবু লাহাবের জীবদ্দশায় তার পরিণতির বিষয়ে দেওয়া আল্লাহর এক অকাট্য ভবিষ্যদ্বাণী। এর মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমতার প্রতি ঈমান আরও দৃঢ় হয়।
সুরক্ষা ও সতর্কতার অনুভব
- এই সূরা পাঠের মাধ্যমে পাঠক অহংকার, সীমালঙ্ঘন এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর বিরোধিতার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারে।
নিয়মিত সূরা লাহাব পাঠের ফজিলত
যদিও নির্দিষ্টভাবে এই সূরার জন্য কোনো সহীহ হাদিসে আলাদা ফজিলতের কথা উল্লেখ নেই, তবুও কুরআনের প্রতিটি হরফ পাঠের সওয়াব রয়েছে। ইমাম শাফেঈ (রহ.) এর মতো অনেক আলেম বলেছেন, এই সূরায় উল্লিখিত আবু লাহাবের কঠোর পরিণতির কথা স্মরণ করলে মানুষ আল্লাহর পথে অবিচল থাকার প্রেরণা লাভ করে। এটি কুরআনের একটি অংশ হওয়ায় প্রতি অক্ষরে দশটি নেকি লাভ হয়।
সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা আমাদের শেখায় যে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সম্পদ বা প্রতিপত্তি নয়, বরং একমাত্র আল্লাহর আনুগত্যই পরিত্রাণের একমাত্র পথ। এটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, সত্যের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী, অহংকারী এবং ফিতনা ছড়ানো ব্যক্তির জন্য দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই অপেক্ষা করছে কঠোর পরিণতি। এই সূরাটি আমাদের ইসলামের মূল শিক্ষা ও সত্যের পথে অবিচল থাকার অনুপ্রেরণা যোগায়।
সূরা লাহাব সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
প্রশ্ন: সূরা লাহাবের অর্থ কী?
উত্তর: সূরা লাহাবের প্রধান বার্তা হলো আবু লাহাব এবং তার স্ত্রীর ধ্বংস ও কঠোর শাস্তি। এটি নিশ্চিত করে যে সম্পদ বা ক্ষমতা তাদের আল্লাহর ক্রোধ থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
প্রশ্ন: সূরা লাহাবের আয়াত সংখ্যা কত?
উত্তর: সূরা লাহাবের মোট আয়াত সংখ্যা হলো পাঁচটি।
প্রশ্ন: আবু লাহাব কে ছিলেন?
উত্তর: আবু লাহাব ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আপন চাচা। তিনি রাসূল (সা.)-এর দাওয়াতের ঘোর বিরোধী ছিলেন।
প্রশ্ন: সূরা লাহাব কোথায় অবতীর্ণ হয়?
উত্তর: সূরা লাহাব মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছিল, যা মাক্কী সূরা হিসেবে পরিচিত।
প্রশ্ন: উম্মে জামিলের শাস্তি কী হবে?
উত্তর: উম্মে জামিলকে জাহান্নামে ইন্ধন বহনকারী হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে এবং শাস্তিস্বরূপ তার গলায় খেজুরের আঁশের পাকানো রশি থাকবে।
প্রশ্ন: লাহাব শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: লাহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শিখা বা অগ্নিশিখা।
প্রশ্ন: সূরা লাহাব কেন নাজিল হয়েছিল?
উত্তর: মহানবী (সা.) প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করলে আবু লাহাব তাঁকে প্রকাশ্যে অভিশাপ দেয়। এর জবাবে আল্লাহ্ তাআলা আবু লাহাবের কঠোর পরিণতির ভবিষ্যদ্বাণী করে এই সূরা নাজিল করেন।
প্রশ্ন: সম্পদের অহংকার কেন করা উচিত নয়?
উত্তর: সূরা লাহাব স্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয় যে, আল্লাহর শাস্তির সামনে পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতা সম্পূর্ণ মূল্যহীন, তাই সম্পদের অহংকার করা উচিত নয়।
প্রশ্ন: সূরা লাহাবের অন্য নাম কী?
উত্তর: সূরা লাহাবের অন্য নাম হলো সূরা মাসাদ, যার অর্থ খেজুরের আঁশের পাকানো রশি।
প্রশ্ন: এই সূরা থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?
উত্তর: এই সূরা থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, সত্যের পথে বাধা দানকারী এবং ফিতনা সৃষ্টিকারীর ধ্বংস অনিবার্য, এবং আল্লাহর ওয়াদা অবশ্যই সত্য।
কুরআনের অন্যান্য সূরা ও ফজিলত সম্পর্কে জানুন
- আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত, অর্থ ও ফজিলত
- সূরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ পূর্ণ ব্যাখ্যা
- সূরা কদর বাংলা উচ্চারণ অর্থসহ কুরআনের বরকতময় রাতের বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- সূরা ইয়াসিন বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ পূর্ণাঙ্গ আলোচনা
- সূরা কাওসার বাংলা অর্থ ও উচ্চারণসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা
- সূরা বাকারার শেষ তিন আয়াত বাংলা অর্থ ও উচ্চারণসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা
- সূরা মুলক বাংলা, আরবি উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
- সূরা ফালাক বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- সূরা কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
- সূরা ফাতেহা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ: ফজিলত, গুরুত্ব ও সম্পূর্ণ গাইড
- সূরা আসর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, তাফসির ও ফজিলতসহ পূর্ণাঙ্গ গাইড
- সূরা আর রহমান বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও বিস্তারিত তাফসির: আল্লাহর অসীম দয়ার ঘোষণা
- সূরা মূলক-এর ফজিলত, গুরুত্ব, হাদিস ও উপকারিতা: সম্পূর্ণ গাইডলাইন
- সূরা ইখলাস বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ: ফজিলত, ব্যাখ্যা ও সম্পূর্ণ গাইডলাইন
- সূরা বাকারার ফজিলত: কুরআনের দীর্ঘতম সূরার অসংখ্য বরকত ও উপকারিতা








