হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeব্যবসা ও শিল্পআজকের স্বর্ণের দাম: বাংলাদেশে ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার ভরি কত...
spot_img

আজকের স্বর্ণের দাম: বাংলাদেশে ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার ভরি কত জানুন

বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে স্বর্ণ বা সোনা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বিয়েশাদি, জন্মদিন কিংবা যেকোনো শুভ অনুষ্ঠানে স্বর্ণের উপহার ছাড়া যেন উৎসব পূর্ণতা পায় না। আবার বিপদের বন্ধু হিসেবেও স্বর্ণের জুড়ি মেলা ভার। তাই প্রতিদিনের সংবাদে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খোঁজেন, তা হলো আজকের স্বর্ণের দাম ( Today gold price )।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও স্বর্ণের দাম প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিয়মিত সভার মাধ্যমে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে থাকে। আপনি যদি স্বর্ণ কিনতে বা বিক্রি করতে চান, তবে আজকের বাজার দর জানা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

এই আর্টিকেলে আমরা শুধু আজকের দামই জানাব না, বরং স্বর্ণের ক্যারেট চেনার উপায়, খাঁটি সোনা চেনার কৌশল এবং স্বর্ণে বিনিয়োগের লাভ-ক্ষতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করব।

বাংলাদেশে আজকের স্বর্ণের দাম ( Bangladesh ajker sorner dam ) (বাজুস নির্ধারিত)

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (BAJUS) সর্বশেষ যে দাম ঘোষণা করেছে, সেই অনুযায়ী আজকের বাজার দর নিচে তুলে ধরা হলো। মনে রাখবেন, এই দাম শুধু স্বর্ণের বারের (Bar) বা বিস্কুটের দাম। গয়না তৈরির ক্ষেত্রে এর সঙ্গে মজুরি (Making Charge) এবং ভ্যাট (VAT) যুক্ত হবে।

স্বর্ণের মান (Quality)প্রতি গ্রাম (টাকা)প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম)
২২ ক্যারেট (হলমার্ককৃত)১৯,২২০ টাকা২,২৪,১৮২ টাকা
২১ ক্যারেট (হলমার্ককৃত)১৮,৩৫০ টাকা২,১৪,০৩৪ টাকা
১৮ ক্যারেট (হলমার্ককৃত)১৫,৭২৫ টাকা১,৮৩,৪১৬ টাকা
সনাতন পদ্ধতি (Traditional)১৩,১০৫ টাকা১,৫২,৮৫৭ টাকা

বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরে উল্লিখিত দাম জুয়েলারি শোরুমে স্বর্ণের গহনা কেনার মূল দাম। এর সঙ্গে ৫% ভ্যাট এবং প্রতি ভরিতে গয়নার ডিজাইন ভেদে ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি যুক্ত হতে পারে।

স্বর্ণের ক্যারেট কী?

স্বর্ণ কিনতে গিয়ে অনেকেই ২২ ক্যারেট বা ২১ ক্যারেট নিয়ে দ্বিধায় পড়েন। ক্যারেট হলো স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপের একক। এটি যত বেশি হবে, স্বর্ণ তত খাঁটি। তবে খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা কঠিন।

২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের পার্থক্য

চলুন জেনে নিই বিস্তারিত:

২৪ ক্যারেট গোল্ড (Pure Gold)

এটি ৯৯.৯% খাঁটি স্বর্ণ। এটি অত্যন্ত নরম এবং নমনীয় হয়। ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে সাধারণত গয়না তৈরি করা যায় না, কারণ এটি সহজেই বেঁকে যায়। এটি মূলত স্বর্ণের বার বা কয়েন হিসেবে বিনিয়োগের জন্য কেনা হয়।

২২ ক্যারেট গোল্ড (Standard for Jewelry)

বাংলাদেশে গয়না তৈরির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ২২ ক্যারেট স্বর্ণ। এতে ৯১.৬% খাঁটি সোনা থাকে এবং বাকি ৮.৪% অন্যান্য ধাতু (যেমন তামা, দস্তা, নিকেল বা রুপা) মেশানো হয়। এই খাদ মেশানোর ফলে স্বর্ণ শক্ত হয় এবং গয়নার স্থায়িত্ব বাড়ে। একে অনেক সময় “৯১৬ গোল্ড”ও বলা হয়।

২১ ক্যারেট গোল্ড

২১ ক্যারেট স্বর্ণে ৮৭.৫% খাঁটি সোনা থাকে। এটি ২২ ক্যারেটের চেয়ে কিছুটা কম দামি এবং সামান্য বেশি শক্ত। মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে ২১ ক্যারেটের গয়না বেশ জনপ্রিয়।

১৮ ক্যারেট গোল্ড

এতে ৭৫% খাঁটি সোনা এবং ২৫% অন্যান্য ধাতু থাকে। সাধারণত পাথর বসানো গয়না বা ডায়মন্ডের গয়না তৈরির জন্য ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়। কারণ এটি অনেক শক্ত হয় এবং পাথরকে শক্তভাবে ধরে রাখতে পারে।

সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ

সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণে কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই। এটি সাধারণত পুরনো স্বর্ণ গলিয়ে তৈরি করা হয়। এতে স্বর্ণের বিশুদ্ধতা অনেক কম থাকে (সাধারণত ৭০-৮০% এর মধ্যে হতে পারে)। তাই এই স্বর্ণের দামও সবচেয়ে কম।

স্বর্ণের দাম কেন বাড়ে বা কমে?

আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন, আজ স্বর্ণের দাম কমছে তো কাল হুট করে বেড়ে যাচ্ছে। এর পেছনে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কারণ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের মূল্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের লেনদেন হয় ডলারে। যখন মার্কিন ডলারের দাম বাড়ে, তখন টাকার মান কমে যায়, ফলে আমাদের দেশে স্বর্ণের দাম বেড়ে যায়। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা বাড়লে বা যোগান কমলেও দাম বাড়ে।

তেলের দাম ও ভূ-রাজনীতি

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যুদ্ধ বা অস্থিরতা সৃষ্টি হলে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজার থেকে টাকা তুলে স্বর্ণে বিনিয়োগ করেন। কারণ স্বর্ণকে “নিরাপদ বিনিয়োগ” (Safe Haven) মনে করা হয়। যেমন: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় স্বর্ণের দাম হু হু করে বেড়েছিল।

আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট

বাংলাদেশ সরকার যদি স্বর্ণ আমদানির ওপর শুল্ক (Tax) বাড়িয়ে দেয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়ে এবং দাম বৃদ্ধি পায়।

বাজুসের সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম নিয়ন্ত্রণের একমাত্র কর্তৃপক্ষ হলো বাজুস। তারা আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের রেট এবং স্থানীয় চাহিদা বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করে।

খাঁটি সোনা চেনার উপায়: ঠকবেন না যেভাবে

স্বর্ণ কেনা একটি বড় বিনিয়োগ। তাই কেনার আগে খাঁটি সোনা চেনার উপায়গুলো জানা জরুরি।

  • হলমার্ক (Hallmark) চেক করুন: বর্তমানে বিএসটিআই (BSTI) অনুমোদিত হলমার্ক ছাড়া স্বর্ণ কেনা উচিত নয়। গয়নার গায়ে একটি ছোট সিল বা খোদাই করা নম্বর থাকে। যেমন: ২২ ক্যারেটের জন্য ‘916’, ২১ ক্যারেটের জন্য ‘875’ এবং ১৮ ক্যারেটের জন্য ‘750’ লেখা থাকে। আতশ কাঁচ দিয়ে এটি দেখে নিন।
  • অ্যাসিড টেস্ট: স্বর্ণে নাইট্রিক অ্যাসিড দিলে কোনো বিক্রিয়া হয় না। কিন্তু নকল সোনায় দিলে রঙ পরিবর্তন হয়ে যায়। তবে এটি বাড়িতে না করে জুয়েলারি দোকানে করাই ভালো।
  • চুম্বক পরীক্ষা: খাঁটি সোনা চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না। যদি আপনার গয়না চুম্বকে আটকে যায়, তবে বুঝবেন এতে প্রচুর পরিমাণে লোহা বা অন্য ধাতু মেশানো আছে।
  • বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান: সব সময় নামকরা এবং বাজুস নিবন্ধিত শো-রুম থেকে স্বর্ণ কিনুন। রাস্তার পাশের অনিবন্ধিত দোকান থেকে কিনলে ঠকার সম্ভাবনা বেশি।

পুরানো স্বর্ণ বদল বা বিক্রি করার নিয়ম

আপনার ঘরে থাকা পুরনো গয়না বিক্রি করতে বা বদল করতে চাইলে কিছু নিয়ম মানতে হয়। বাজুসের নিয়ম অনুযায়ী:

১. আপনি যে দোকান থেকে কিনেছিলেন, মেমোসহ সেই দোকানে ফেরত দিলে বর্তমান বাজার দরের ১০% থেকে ২০% টাকা কাটা যেতে পারে (দোকানভেদে ভিন্ন হয়)।

২. অন্য দোকানে বিক্রি করতে গেলে সাধারণত ২০% থেকে ২৫% পর্যন্ত দাম কম পাওয়া যায়।

৩. পুরনো স্বর্ণ বিক্রি করার সময় অবশ্যই অরিজিনাল ক্যাশ মেমো সাথে রাখবেন, নতুবা দোকানিরা চুরির স্বর্ণ মনে করে কিনতে চায় না।

স্বর্ণে বিনিয়োগ: লাভ নাকি ক্ষতি?

অর্থনীতিবিদরা সব সময় বলেন, “আপনার সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না।” অর্থাৎ সব টাকা ব্যাংকে বা জমিতে না রেখে কিছু অংশ স্বর্ণে বিনিয়োগ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

সুবিধা:

  • মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) বিরুদ্ধে স্বর্ণ সেরা রক্ষা কবচ। টাকার মান কমলে স্বর্ণের দাম বাড়ে।
  • এটি সহজে বহনযোগ্য এবং যেকোনো সময় বিক্রি করে নগদ টাকা পাওয়া যায়।
  • দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের দাম সবসময় উর্ধ্বমুখী।

অসুবিধা:

  • গয়না হিসেবে কিনলে মজুরি ও খাদ বাবদ অনেক টাকা লস হয়। তাই বিনিয়োগের জন্য গয়না না কিনে স্বর্ণের বার (Gold Bar) বা কয়েন কেনা উচিত।
  • নিরাপত্তা বা চুরির ভয় থাকে।

স্বর্ণ কেনার আগে ৫টি জরুরি টিপস

১. বাজেট ঠিক করুন: দোকানে যাওয়ার আগে আজকের রেট দেখে বাজেট ঠিক করুন।

২. মজুরি নিয়ে দরদাম: স্বর্ণের দাম ফিক্সড হলেও মজুরি (Making Charge) কমানো যায়। দোকানির সাথে কথা বলে মজুরি কমানোর চেষ্টা করুন।

৩. রসিদ সংগ্রহ: কেনার পর পাকা রসিদ (Cash Memo) নিন, যেখানে স্বর্ণের ওজন, ক্যারেট, মজুরি এবং তারিখ উল্লেখ থাকবে।

৪. ডিজাইন: খুব বেশি নকশা করা গয়নায় খাদ বেশি থাকে এবং মজুরিও বেশি। তাই সলিড ডিজাইনের গয়না কেনা লাভজনক।

৫. ওজন বুঝুন: ভরি, আনা এবং রতির হিসাব বুঝে নিন। ১ ভরি = ১৬ আনা। দোকানদার যেন ওজনে কারচুপি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন।


স্বর্ণ শুধু একটি ধাতু নয়, এটি বাঙালির আবেগ এবং বিপদের সঞ্চয়। আজকের স্বর্ণের দাম ( Today Gold Price in Bangladesh ) জেনে এবং সঠিক নিয়ম মেনে স্বর্ণ কিনলে আপনি লাভবান হবেন। বাজার দর প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়, তাই সোনা কেনার আগে আমাদের ওয়েবসাইটের এই পেজটি ভিজিট করে লেটেস্ট আপডেট জেনে নেওয়ার অনুরোধ রইল।

আজকের স্বর্ণের দাম ( Ajker sorner price ) সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন: ১ ভরি সোনা কত গ্রাম?

উত্তর: বাংলাদেশে স্বর্ণের ওজনের ক্ষেত্রে ভরি পদ্ধতি প্রচলিত। ১ ভরি সমান ১১.৬৬৪ গ্রাম (প্রায়)। সূক্ষ্ম হিসাবের জন্য ১১.৬৬ গ্রাম ধরা হয়।

প্রশ্ন: ১ ভরিতে কত আনা হয়?

উত্তর: স্বর্ণের হিসাবে ১ ভরি সমান ১৬ আনা। আবার ১ আনা সমান ৬ রতি। অর্থাৎ ১ ভরিতে ১৬ আনা বা ৯৬ রতি থাকে।

প্রশ্ন: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের আজকের দাম কত?

উত্তর: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। আজকের (বাজুস নির্ধারিত) রেট অনুযায়ী প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২,২৪,১৮২ টাকা।

প্রশ্ন: ২১ ক্যারেট স্বর্ণ কি ভালো?

উত্তর: হ্যাঁ, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ অবশ্যই ভালো। এতে ৮৭.৫% খাঁটি সোনা থাকে। বাজেট কিছুটা কম হলে ২২ ক্যারেটের বদলে ২১ ক্যারেট নিঃসন্দেহে সেরা পছন্দ।

প্রশ্ন: ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত?

উত্তর: ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২২ বা ২১ ক্যারেটের চেয়ে কম। আজকের বাজারে প্রতি ভরি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১,৮৩,৪১৬ টাকা।

প্রশ্ন: সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম কত?

উত্তর: সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের বিশুদ্ধতা কম হওয়ায় এর দাম সবচেয়ে কম হয়। আজ প্রতি ভরি সনাতন স্বর্ণের দাম ১,৫২,৮৫৭ টাকা।

প্রশ্ন: কোন ক্যারেটের স্বর্ণ গয়নার জন্য সেরা?

উত্তর: গয়না তৈরির জন্য ২২ ক্যারেট (22K) স্বর্ণকে আন্তর্জাতিকভাবে আদর্শ মানা হয়। এটি টেকসই এবং এর উজ্জ্বলতা দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে পাথরের গয়নার জন্য ১৮ ক্যারেট বেশি উপযোগী।

প্রশ্ন: স্বর্ণের দাম কি সামনে কমবে না বাড়বে?

উত্তর: স্বর্ণের দাম নির্ভর করে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ডলারের উর্ধ্বমুখী দাম বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের দাম বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

প্রশ্ন: বাজুস (BAJUS) কী?

উত্তর: বাজুস বা ‘বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি’ হলো বাংলাদেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের প্রধান সংগঠন। এই সংগঠনই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

প্রশ্ন: স্বর্ণ কেনার সঠিক সময় কখন?

উত্তর: যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকে বা কমে, তখন কেনা উচিত। এছাড়া উৎসবের মৌসুমে (যেমন ঈদ বা পূজার আগে) দাম বাড়ে, তাই অফ-সিজনে কেনা বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সোনার দাম ১ ভরি সোনার দাম কত?

উত্তর: বাংলাদেশে সোনার দাম ক্যারেট এবং বাজারের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়, তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে ২২ ক্যারেট সোনার ১ ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা থেকে ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত ছিল; ২১ ক্যারেট সোনার দাম ছিল প্রায় ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা প্রতি ভরি। 

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!