জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যবসায়ী সমিতি। আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ এবং জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকালে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এর ফলে এই দুই দিন দেশের কোনো বিপণিবিতান বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে না।
বন্ধ থাকবে সব তফসিলি ব্যাংক
সাধারণ মানুষের আর্থিক লেনদেনের কথা বিবেচনা করে আগেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। দোকানপাটের পাশাপাশি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকও ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে।
এর ফলে ব্যাংকগুলোতে কোনো ধরণের দাপ্তরিক কাজ বা লেনদেন করা সম্ভব হবে না। তাই জরুরি প্রয়োজনে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কাজ সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কেন এই বিশেষ সিদ্ধান্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। এই সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষকে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ করে দিতেই এই সাধারণ ছুটির আওতা বাড়ানো হয়েছে।
সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি তথ্য
- কেনাকাটা: আপনার নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার বা কেনাকাটা ১১ ফেব্রুয়ারির আগেই শেষ করুন।
- ব্যাংকিং: অনলাইন ব্যাংকিং চালু থাকলেও শাখা পর্যায়ে কোনো লেনদেন হবে না।
- যাতায়াত: শপিংমল কেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে সাধারণ যাতায়াত সীমিত থাকতে পারে।
ভোটের প্রস্তুতিতে সরগরম দেশ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে বিটিভিতে রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণ প্রচার এবং এখন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা সব মিলিয়ে দেশে এখন উৎসবমুখর নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।








