হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
শনিবার, জুলাই ৪, ২০২৬
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeজাতীয়শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: হৃদয়ে আজও অমলিন এক অবিনাশী ধ্রুবতারা
spot_img

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: হৃদয়ে আজও অমলিন এক অবিনাশী ধ্রুবতারা

ইতিহাসের পাতায় কিছু নাম কালির অক্ষরে লেখা থাকে, আর কিছু নাম লেখা থাকে কোটি মানুষের হৃদয়ের গভীরতম মণিকোঠায়, রক্তে ও সত্তায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর-উত্তম তেমনই এক নাম, যা বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে, এ দেশের ধুলোবালি আর মানচিত্রের সাথে মিশে আছে অবিচ্ছেদ্যভাবে। আজ ১৯ জানুয়ারি, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী।

১৯৩৬ সালের এক শীতের সকালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নিভৃত পল্লী বাগবাড়িতে যে শিশুটি প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেছিল, কে জানত সেই শিশুই একদিন হয়ে উঠবে দিকভ্রান্ত একটি জাতির মুক্তির দিশারী? আজ যখন দেশজুড়ে তার জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে, তখন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের চোখে ভাসছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর হারানো নেতার জন্য এক বুক চাপা কষ্ট।

আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা ফিরে দেখব সেই ‘কমল’ থেকে রাষ্ট্রনায়ক জিয়া হয়ে ওঠার এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান।

বাগবাড়ির ‘কমল’ থেকে রণাঙ্গনের জিয়া

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে তাঁর মা-বাবা আদর করে ‘কমল’ নামে ডাকতেন। বাবার নাম মনসুর রহমান, যিনি ছিলেন একজন রসায়নবিদ ও সরকারি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আর মা জাহানারা খাতুন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে জিয়া ছিলেন দ্বিতীয়। শৈশব থেকেই তার চোখে ছিল অদম্য কৌতূহল আর বুকে ছিল আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন। বাবার চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কেটেছে তার শৈশব।

১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সামরিক একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর শৃঙ্খলবদ্ধ সামরিক জীবন। কিন্তু তিনি কি শুধুই একজন সামরিক অফিসার ছিলেন? না, তার ধমনীতে ছিল দেশপ্রেমের এক তীব্র স্রোত। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি এক অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে নিজের বীরত্বের স্বাক্ষর রাখেন। কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি ছিলেন সহযোদ্ধাদের কাছে এক নির্ভরতার প্রতীক।

১৯৭১: যখন একটি কণ্ঠস্বর হয়ে উঠল বারুদ

১৯৭১ সাল। মার্চ মাস। বাঙালির আকাশে তখন দুর্যোগের ঘনঘটা। ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল, তখন জাতি ছিল নেতৃত্বহীন, দিশাহারা। ঠিক সেই চরম ক্রান্তিলগ্নে, যখন চারদিকে শুধু মৃত্যু আর হাহাকার, তখন ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম থেকে ভেসে এলো একটি ভরাট ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর “আমি মেজর জিয়া বলছি…”

ইথারে ভেসে আসা সেই একটি বাক্য যেন মৃতপ্রায় জাতির শরীরে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছিল। তিনি বলেছিলেন, “আমি মেজর জিয়া, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি”। তাঁর এই অবিস্মরণীয় ও অবিনাশী ঘোষণায় পথহারা মুক্তিকামী জনতা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিল, ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মরণপণ মুক্তিযুদ্ধে।

২৬ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। পরবর্তীতে তিনি ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ‘জেড ফোর্স’ গঠন করে রণাঙ্গন কাঁপিয়ে তোলেন। তার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা অসীম সাহসে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত হয় আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জাতি তাকে ‘বীর-উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে।

৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও রাষ্ট্রনায়ক জিয়া

স্বাধীনতার পর দেশ যখন আবারও এক অনিশ্চয়তার গহ্বরে পতিত হয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর যখন ক্ষমতার পালাবদল আর ষড়যন্ত্রে জাতি বিভ্রান্ত, ঠিক তখনই ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে আসেন। নেতৃত্বশূন্য জাতিকে পথ দেখানোর জন্য সৈনিক ও জনতা তাকেই বেছে নেয় কান্ডারি হিসেবে।

ক্ষমতায় এসে তিনি কোনো বিলাসবহুল প্রাসাদে বসে থাকেননি। তিনি মিশে গিয়েছিলেন এই বাংলার কাদামাটি ও মানুষের সাথে। তার শাসনামলে তিনি এক হাতে কোদাল নিয়ে কৃষকের সাথে খাল কেটেছেন, অন্য হাতে কলম ধরে দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার

শহীদ জিয়া শুধু একজন শাসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ দেখেছিল উন্নয়নের নতুন দিগন্ত:

  • বহুদলীয় গণতন্ত্র: তিনি দেশে একদলীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন।
  • বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: তিনি জাতিকে ‘বাঙালি’ আর ‘বাংলাদেশি’র তর্কের ঊর্ধ্বে উঠে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ এক নতুন পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেন।
  • সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও মৈত্রী স্থাপনের জন্য তিনি ‘সার্ক’ (SAARC) গঠনের উদ্যোগ নেন, যা আজও তার দূরদৃষ্টির সাক্ষ্য বহন করছে।
  • অর্থনৈতিক সংস্কার: কৃষি বিপ্লব ও শিল্পায়নের মাধ্যমে তিনি ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলেন।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস: একটি ট্র্যাজেডি ও রক্তক্ষরণ

১৯৮১ সালের ৩০ মে। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস। প্রকৃতি সেদিন হয়তো আগে থেকেই কাঁদছিল, বাইরে ছিল ঝড়-বৃষ্টি। গভীর রাতে কিছু বিপথগামী উচ্চাভিলাষী সামরিক কর্মকর্তার হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় এই রাষ্ট্রনায়ক।

ঘাতকের বুলেট তার বুক ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল, কিন্তু তার আদর্শকে স্পর্শ করতে পারেনি। তার শাহাদাতের সংবাদে সেদিন থমকে গিয়েছিল গোটা বাংলাদেশ। শেরেবাংলানগরে তার জানাজায় লাখো মানুষের যে ঢল নেমেছিল, তা ছিল তার প্রতি জনগণের ভালোবাসার এক নীরব বহিঃপ্রকাশ। মানুষ কেঁদেছিল অঝোরে, যেন তারা হারিয়েছে তাদের পরিবারেরই একজন আপনজনকে।

আজকের প্রেক্ষাপট ও বিএনপির কর্মসূচি

আজ শহীদ জিয়ার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলো সারাদেশে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে বলেছেন, “শহীদ জিয়া ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক। মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এই নেতার আদর্শ আজও আমাদের অনুপ্রেরণা”। তিনি দেশবাসীকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

আজকের কর্মসূচি সমূহ:

  • পতাকা উত্তোলন: আজ ভোরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
  • শ্রদ্ধা নিবেদন: আজ সকাল ১১টায় শেরেবাংলানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।
  • আলোচনাসভা ও দোয়া: দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা ও থানায় আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার কাকরাইলে বিশেষ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ জিয়াউর রহমান আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তিনি আছেন প্রতিটি ধানের শীষে, তিনি আছেন টেকনাফের সমুদ্র গর্জনে, তিনি আছেন তেঁতুলিয়ার সবুজ চা বাগানে। তিনি শিখিয়ে গেছেন কীভাবে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে হয়। ঘাতকরা তাকে হত্যা করে হয়তো ভেবেছিল তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে, কিন্তু তারা জানত না শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না।

আজকের এই দিনে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সেই মহান নেতাকে, যার জন্ম না হলে হয়তো বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যরকম হতো। শুভ জন্মদিন, হে স্বাধীনতার ঘোষক! শুভ জন্মদিন, হে অবিনাশী ধ্রুবতারা!

শহীদ জিয়াউর রহমান সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের জন্ম কত তারিখে?

উত্তর: শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তর: তিনি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের বাবার নাম কী?

উত্তর: তাঁর বাবার নাম মনসুর রহমান, যিনি একজন রসায়নবিদ ছিলেন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমান কবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন?

উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

প্রশ্ন: ‘জেড ফোর্স’ (Z-Force) কে গঠন করেছিলেন?

উত্তর: মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর জিয়াউর রহমান ‘জেড ফোর্স’ গঠন ও পরিচালনা করেন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমান কবে শহীদ হন?

উত্তর: ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

প্রশ্ন: বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক কে?

উত্তর: বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

প্রশ্ন: সার্ক (SAARC) গঠনের স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন?

উত্তর: দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক গঠনের মূল স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের জানাজা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?

উত্তর: তাঁর জানাজা ঢাকার শেরেবাংলানগরে (বর্তমানে চন্দ্রিমা উদ্যান) অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে।

প্রশ্ন: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কে?

উত্তর: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির কর্মসূচি কী?

উত্তর: কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দলীয় পতাকা উত্তোলন, শেরেবাংলানগরে মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং দেশব্যাপী আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের ডাক নাম কী ছিল?

উত্তর: বাবা-মা ও ঘনিষ্ঠজনরা তাকে আদর করে ‘কমল’ নামে ডাকতেন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমান কীভাবে মারা যান?

উত্তর: ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি নির্মমভাবে শহীদ হন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের স্ত্রীর নাম কী?

উত্তর: তাঁর সহধর্মিণী হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমান কততম রাষ্ট্রপতি ছিলেন?

উত্তর: তিনি বাংলাদেশের ৭ম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমান কী খেতাব পেয়েছিলেন?

উত্তর: মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাকে ‘বীর-উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।

প্রশ্ন: জিয়াউর রহমানের কবর কোথায়?

উত্তর: রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলানগরে চন্দ্রিমা উদ্যানে তাঁর সমাধি অবস্থিত।

প্রশ্ন: ১৯ দফা কর্মসূচি কে দিয়েছিলেন?

উত্তর: দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য ঐতিহাসিক ১৯ দফা কর্মসূচি দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!