হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeতথ্য প্রযুক্তিসিঙ্গাপুরকে বাদ দিয়ে স্টারলিংক বাংলাদেশে ট্রানজিট হাব করতে চায়
spot_img

সিঙ্গাপুরকে বাদ দিয়ে স্টারলিংক বাংলাদেশে ট্রানজিট হাব করতে চায়

বিশ্বব্যাপী স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক বাংলাদেশকে প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ইন্টারনেট ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এর মাধ্যমে তারা ব্যয়বহুল সিঙ্গাপুর রুট বাদ দিয়ে বাংলাদেশ, ভুটানসহ দক্ষিণ এশিয়ার কিছু দেশে সেবা দিতে চায়।

গাজীপুরে বৃহত্তম গ্রাউন্ড স্টেশনের পরিকল্পনা

স্টারলিংক ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে চারটি গ্রাউন্ড স্টেশন পরিচালনা করছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এবার গাজীপুরে একটি বৃহত্তম গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এই স্টেশনের মাধ্যমে ভুটানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে দ্রুত এবং স্বল্প খরচে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে।

বিটিআরসি থেকে অনুমোদন চাইছে স্টারলিংক

স্টারলিংক বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-র কাছে অনিয়ন্ত্রিত ডেটা পরিবহনের অনুমোদন চেয়েছে। তবে এই প্রস্তাব এখনো অনুমোদন পায়নি এবং বিচারাধীন অবস্থায় আছে।

বিদেশি ডেটা ও স্থানীয় ব্যবহারকারীর পার্থক্য

স্টারলিংকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদেশি গ্রাহকদের জন্য ইন্টারনেট পরিবহনে কোনো সরকারি ফিল্টারিং থাকবে না। তবে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা স্থানীয় আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেটই ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ, দেশের ভেতরের গ্রাহকদের জন্য সরকারি নীতিমালা কার্যকর থাকবে, কিন্তু বিদেশি ট্রানজিট ডেটার ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না।

কেন সিঙ্গাপুর বাদ?

বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ ইন্টারনেট সেবা নিতে সিঙ্গাপুর রুট ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এটি ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। স্টারলিংক মনে করে, যদি বাংলাদেশকে ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর খরচ অনেক কমবে এবং সেবা আরও দ্রুত পাওয়া যাবে।

সম্ভাব্য লাভ ও চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ যদি ট্রানজিট হাব হয়, তবে দেশের ডিজিটাল খাত আরও শক্তিশালী হবে। নতুন বিনিয়োগ আসতে পারে এবং বাংলাদেশ বৈশ্বিক ইন্টারনেট সেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে। তবে এর সাথে নিরাপত্তা ও নীতিমালার দিক থেকেও কিছু প্রশ্ন উঠতে পারে, বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত ডেটা পরিবহন নিয়ে।


এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিটিআরসি কি স্টারলিংকের এই প্রস্তাব অনুমোদন দেবে? যদি অনুমোদন দেয়, তবে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল সংযোগের একটি কেন্দ্রীয় সেতু হয়ে উঠতে পারে। তবে অনুমোদনের আগে সরকারকে নিরাপত্তা, আইন, ও অর্থনৈতিক দিকগুলো ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!