হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeআর্ন্তজাতিকগাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহত ৯৭ ফিলিস্তিনি
spot_img

গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহত ৯৭ ফিলিস্তিনি

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা থামেনি। হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ২৩০ জন। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর এই ভয়াবহ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গণমাধ্যম দপ্তর আরও জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলিরা এখন পর্যন্ত ৮০ বার চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে।

যুদ্ধবিরতির পরেও কেন থামছে না হামলা?

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের পরে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা মেনে এই চুক্তি কার্যকর হয়।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী:

  • ইসরায়েলি বাহিনীর গাজায় অভিযান বন্ধ করার কথা।
  • বিনিময়ে গাজায় জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের (জীবিত ও মৃত) ছেড়ে দেবে হামাস।

বর্তমানে যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ের আওতায় এই জটিল জিম্মিদের বিনিময়ের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মধ্যেই ইসরায়েলিদের নির্বিচার হামলা অব্যাহত থাকায় পুরো চুক্তিটিই এখন প্রশ্নের মুখে। হামাসের দাবি, বারবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

ভয়াবহ সংঘাতের সারসংক্ষেপ

এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর।

  • হামাসের হামলা: ওই দিন হামাস ইসরায়েলে বড় ধরনের হামলা চালায়। ইসরায়েলের দাবি, এতে ১ হাজার ১০০ জনের বেশি নিহত হন এবং প্রায় আড়াই শ মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।
  • ইসরায়েলের পাল্টা আক্রমণ: জবাবে ওই দিনই ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই হামলায় গাজায় নিহত হওয়া মানুষের সংখ্যা ৬৮ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

এমনিতেই গাজা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত, এর মধ্যেই যুদ্ধবিরতির সুযোগে হামলা চালানোয় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও সাধারণ ফিলিস্তিনিদের নিহত হওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই হামলা যদি চলতে থাকে, তবে শান্তি প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এখন সবার চোখ ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দিকে, এই চুক্তি কি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে, নাকি আরও রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হবে?

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!