হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
Saturday, August 15, 2026
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeইসলাম ও জীবনআশুরার রোজার ফজিলত, গুরুত্ব, ইতিহাস ও আমল সমূহ: এক বছরের গুনাহ মাফের...
spot_img

আশুরার রোজার ফজিলত, গুরুত্ব, ইতিহাস ও আমল সমূহ: এক বছরের গুনাহ মাফের সুযোগ

আশুরা ( عاشوراء) ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হিজরি সনের প্রথম মাস মুহাররমের দশম দিনকে ‘আশুরা’ বলা হয়। এই দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ঐতিহাসিক ঘটনা এবং বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। বিশেষত আশুরার রোজা পালনের মাধ্যমে এক বছরের গুনাহ মাফের সুযোগ রয়েছে।

আশুরার রোজা কী?

আশুরা মূলত মুহাররম মাসের দশম দিনকে বোঝায়। এই দিনে পালন করা সিয়াম বা রোজাকেই আশুরার রোজা বলা হয়। এটি একটি নফল ইবাদত, যা পালন করা সুন্নাত হিসেবে বিবেচিত।

ইসলামে আশুরার দিন কবে

আশুরা হলো হিজরি সনের মুহাররম মাসের দশম দিন। যেহেতু ইসলামি ক্যালেন্ডার চন্দ্রনির্ভর, তাই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (ইংরেজি) অনুযায়ী এর তারিখ প্রতি বছর প্রায় ১০-১১ দিন এগিয়ে আসে।

আশুরার রোজা পালনের মূল উদ্দেশ্য

এই আশুরার রোজা পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো:

  • আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সুন্নাত অনুসরণ করা।
  • ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার (যেমন: মুসা (আ.)-এর মুক্তি) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
  • বিশেষ ফজিলত লাভ করে পূর্ববর্তী এক বছরের সগীরা গুনাহ মাফ করে নেওয়া।

আশুরার রোজার ফজিলত

আশুরার রোজা পালনে রয়েছে অতুলনীয় ফজিলত, যা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

সহিহ হাদিসে আশুরার রোজার বিশেষ মর্যাদা

আশুরার রোজার সবচেয়ে বড় মর্যাদা হলো এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী বছরের পাপ মোচন হয়।

হাদিস: আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে আশুরার রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “এটি পূর্ববর্তী এক বছরের পাপ মুছে দেয়।” (সহিহ মুসলিম: ১১৬২)

রমজান মাসের রোজার পর নফল রোজার মধ্যে আশুরার রোজাই সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ।

কেন আশুরার রোজা পূর্ববর্তী বছরের গুনাহ মাফের কারণ

আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য বিশেষ কিছু দিন ও মুহূর্ত নির্ধারণ করেছেন, যখন ইবাদতের মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে ক্ষমা লাভ করা যায়। আশুরার রোজা তেমনি একটি বিশেষ ইবাদত, যা আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহের কারণে এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ হয়। এটি বান্দার প্রতি আল্লাহর অশেষ দয়া ও রহমতের বহিঃপ্রকাশ।

নবী (সা.) এর আমলে আশুরার রোজার গুরুত্ব

মক্কায় থাকাকালীন এবং মদিনায় হিজরতের পরও নবী (সা.) আশুরার রোজা গুরুত্ব সহকারে পালন করতেন এবং সাহাবিদের তা পালনের নির্দেশ দিতেন। যখন রমজানের রোজা ফরজ হলো, তখন আশুরার রোজা ফরজ হিসেবে রহিত হয়ে নফল বা সুন্নাতে পরিণত হয়, তবে এর গুরুত্ব ও ফজিলত বজায় থাকে।

আশুরার রোজার ইতিহাস

এই আশুরার দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ইসলামে সুদূরপ্রসারী।

আশুরার ঐতিহাসিক ঘটনা

ইসলামি ইতিহাস অনুযায়ী আশুরার দিন ঘটে যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো হলো:

  • মুসা (আ.) ও বনী ইসরাইলের মুক্তি: এই দিনে আল্লাহ তাআলা নবী মুসা (আ.) এবং তাঁর অনুসারী বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে রক্ষা করেন এবং ফেরাউন ও তার সৈন্যদের নীল নদে ডুবিয়ে মারেন।
  • কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা: ৬১ হিজরির এই দিনে রাসূল (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত হোসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীরা কারবালার প্রান্তরে শাহাদাত বরণ করেন। এই ঘটনা আশুরার দিনকে মুসলিম উম্মাহর জন্য শোক ও ত্যাগের প্রতীকে পরিণত করেছে।

মূসা (আ.) ও বনী ইসরাইলের মুক্তি

যখন নবী (সা.) মদিনায় হিজরত করেন, তখন তিনি দেখলেন যে মদিনার ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখে। তিনি তাদের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা জানায় যে এই দিনেই আল্লাহ তাআলা মুসা (আ.)-কে ফেরাউনের কবল থেকে রক্ষা করেছিলেন। তখন নবী (সা.) বলেন, “তোমাদের চেয়ে আমরাই মুসা (আ.)-এর অধিক হকদার।” এরপর তিনি নিজে রোজা রাখেন এবং মুসলিমদের রোজা রাখার নির্দেশ দেন।

ইসলাম আগমনের পূর্বে আরবদের পালন

ইসলাম আগমনের পূর্বেও আরবের লোকেরা আশুরার রোজা পালন করত। মূলত কাবার সম্মানে জাহিলিয়াতের যুগেও আশুরার দিনে রোজা রাখার প্রচলন ছিল।

আশুরার রোজা কতদিন রাখা উচিত

আশুরার রোজা মূলত ১০ই মুহাররমের রোজা। তবে ইহুদিদের থেকে পার্থক্য বজায় রাখা এবং অধিক সওয়াব লাভের জন্য একদিন আগে বা একদিন পরেও রোজা রাখার নির্দেশনা রয়েছে।

শুধু ১০ তারিখ রাখা কি জায়েজ

শুধু ১০ই মুহাররমের রোজা রাখা জায়েজ। তবে এটি মাকরূহ বা অনুত্তম, কারণ এটি ইহুদিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়। নবী (সা.) পরের বছর ৯ তারিখ সহ রোজা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

৯ ও ১০ বা ১০ ও ১১ তারিখ রোজা রাখার নির্দেশনা

নবী (সা.) বলেছেন, “যদি আমি আগামী বছর জীবিত থাকি, তাহলে অবশ্যই ৯ তারিখে রোজা রাখব।” (সহিহ মুসলিম)। তাই সুন্নাত হলো:

  • ৯ ও ১০ মুহাররম – দুই দিন রোজা রাখা।
  • ১০ ও ১১ মুহাররম – কোনো কারণে ৯ তারিখ সম্ভব না হলে ১০ ও ১১ তারিখ রোজা রাখা।
  • সর্বোত্তম হলো ৯, ১০ ও ১১ মুহাররম – তিন দিন রোজা রাখা।

আশুরার দিনে করণীয় আমল

আশুরার দিনটি ইবাদত-বন্দেগি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিশেষ সুযোগ।

রোজা রাখা

৯ ও ১০ (অথবা ১০ ও ১১) মুহাররম রোজা রাখা হলো এই দিনের প্রধানতম আমল।

নফল ইবাদত বৃদ্ধি করা

এই দিনে সাধারণ দিনের চেয়ে বেশি নফল ইবাদত করা উত্তম। যেমন: নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ইত্যাদি।

দোয়া ও তওবা করা

আল্লাহর কাছে বিনয়ী হয়ে অতীতের গুনাহের জন্য তওবা করা এবং দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা উচিত। যেহেতু এই রোজা গুনাহ মাফের মাধ্যম, তাই এই সুযোগে আন্তরিকভাবে তওবা করা আবশ্যক।

দান-সদকা করার গুরুত্ব

আশুরার দিনে গরিব-দুঃখীদের দান-সদকা করা এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করা খুবই ফজিলতপূর্ণ কাজ।

আশুরার দিনে যেসব কাজ করা নিষেধ

আশুরাকে কেন্দ্র করে কিছু কাজ ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ বা বর্জনীয়।

বিদআতপূর্ণ কাজ সম্পর্কে সতর্কতা

শোক প্রকাশের নামে বুক চাপড়ানো, শরীর ক্ষত-বিক্ষত করা, তা’জিয়া মিছিল করা, বা অন্য কোনো নব-আবিষ্কৃত প্রথা (বিদআত) ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ইসলামে শোক প্রকাশের সুনির্দিষ্ট সীমা ও পদ্ধতি রয়েছে, যা এর বাইরে যাওয়া অনুচিত।

ধর্মীয় আবেগে অতিরঞ্জন না করা

কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুঃখ প্রকাশ করা বা তা স্মরণ করা যেতে পারে, তবে বাড়াবাড়ি বা ইসলামে অনুমোদনহীন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। ইবাদত হতে হবে সুন্নাহ সম্মত।

আশুরার রোজা সম্পর্কে ভুল ধারণা

আশুরাকে কেন্দ্র করে সমাজে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে।

লোককথা বনাম প্রামাণ্য ইসলামী তথ্য

কিছু লোককথা প্রচলিত আছে যে এই দিনেই নাকি আকাশ-জমিন সৃষ্টি হয়েছে, বা আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়েছিল। এসব তথ্যের কোনো প্রামাণ্য সহিহ ভিত্তি নেই। আশুরার মূল গুরুত্ব হলো মুসা (আ.)-এর মুক্তি এবং নবী (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী রোজা পালনের মাধ্যমে গুনাহ মাফের সুযোগ।

জনপ্রিয় ভুল বিশ্বাসের ব্যাখ্যা

একটি প্রচলিত ভুল বিশ্বাস হলো, আশুরার দিন খিচুড়ি বা বিশেষ খাবার রান্না করা সুন্নাত। এর কোনো ভিত্তি নেই। খাবার তৈরি করে গরিবদের খাওয়ানো দান-সদকা হিসেবে গণ্য হতে পারে, তবে একে বিশেষ আমল মনে করা ভুল।

আশুরার রোজার উপকারিতা

আশুরার রোজা শুধু ধর্মীয় কর্তব্যই নয়, এটি আত্মিক ও মানসিক প্রশান্তিও নিয়ে আসে।

আত্মশুদ্ধির সুযোগ

এক বছরের গুনাহ মাফের সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে মুমিন বান্দা আত্মিকভাবে শুদ্ধি লাভ করে এবং নতুন করে আল্লাহর পথে চলার প্রেরণা পায়।

তাওবা গ্রহণের সম্ভাবনা

আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি ক্ষমাশীল। বিশেষ দিবসের ইবাদতের উসিলায় তাওবা আন্তরিক হলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।

মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা পালন ও অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি ও আত্মিক শান্তি লাভ হয়, যা একজন মুমিনের জীবনে খুবই জরুরি।

আশুরার রোজা কখন রাখা হয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্দেশনা

হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৯-১০-১১ মুহররম

আশুরার রোজা প্রতি বছর হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৯, ১০ এবং ১১ মুহাররম তারিখগুলোতে রাখা হয় (সর্বোত্তম)।

প্রতি বছর তারিখ ভিন্ন হওয়ার কারণ

যেহেতু হিজরি ক্যালেন্ডার চাঁদের গতিবিধির উপর নির্ভরশীল (চন্দ্র ক্যালেন্ডার), আর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সূর্যনির্ভর (সৌর ক্যালেন্ডার), তাই দুটি ক্যালেন্ডারের মধ্যে প্রায় ১১ দিনের পার্থক্য থাকে। এই কারণেই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আশুরার তারিখ প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়।


আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর ক্ষমা ও রহমত লাভের এক সুবর্ণ সুযোগ। ৯ ও ১০ মুহাররমের রোজা এবং অন্যান্য নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা পূর্ববর্তী বছরের পাপ মোচনের পাশাপাশি রাসূল (সা.)-এর সুন্নাত পালনের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারি। কারবালার ঐতিহাসিক শিক্ষা থেকে ত্যাগ ও অবিচলতার প্রেরণা নিয়ে এবং সব ধরনের বিদআত থেকে দূরে থেকে আমাদেরকে এই দিনটির যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।

আশুরার রোজা সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন: আশুরার রোজা কেন রাখা হয়?

উত্তর: আশুরার রোজা রাখার প্রধান কারণ হলো এটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাত এবং এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছরের সগীরা গুনাহ মাফ হয়। এটি মুসা (আ.)-কে ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তির ঘটনার কৃতজ্ঞতা স্বরূপও রাখা হয়।

প্রশ্ন: আশুরার রোজা কয়টি রাখা উত্তম?

উত্তর: আশুরার রোজা দুটি রাখা উত্তম: ৯ এবং ১০ মুহাররম। যদি ৯ তারিখ সম্ভব না হয়, তবে ১০ এবং ১১ মুহাররম রোজা রাখা যেতে পারে।

প্রশ্ন: শুধু ১০ মুহাররম রোজা রাখা যাবে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, শুধু ১০ মুহাররম রোজা রাখা জায়েজ, তবে এটি মাকরূহ বা অনুত্তম। কারণ নবী (সা.) ইহুদিদের থেকে পার্থক্য করার জন্য ৯ তারিখ সহ রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রশ্ন: আশুরার রোজা রাখলে কী লাভ হয়?

উত্তর: সহিহ হাদিস অনুযায়ী, আশুরার রোজা রাখলে আল্লাহ তাআলা রোজাদারের পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট ছোট গুনাহ মাফ করে দেন।

প্রশ্ন: আশুরার রোজা কি ফরজ?

উত্তর: না, আশুরার রোজা ফরজ নয়, এটি সুন্নাতে মুয়াক্কাদা (নবী (সা.) গুরুত্ব সহকারে পালন করতেন) এবং নফল রোজা হিসেবে গণ্য।

প্রশ্ন: আশুরার রোজা কি রমজানের রোজার মতো?

উত্তর: না। রমজানের রোজা ফরজ এবং তা পালন না করলে গুনাহ হয়। আর আশুরার রোজা নফল, এটি রাখলে সওয়াব হয়, না রাখলে গুনাহ হয় না।

প্রশ্ন: কারবালার ঘটনার জন্য কি রোজা রাখা হয়?

উত্তর: না, আশুরার রোজার প্রচলন কারবালার ঘটনার (৬১ হিজরি) বহু আগে থেকেই ছিল। কারবালার ঘটনা এই দিনের একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, তবে রোজার কারণ নয়।

প্রশ্ন: আশুরার দিনে আর কী কী ইবাদত করা যায়?

উত্তর: রোজা ছাড়াও এই দিনে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দান-সদকা করা এবং বিশেষভাবে তওবা ও দোয়া করা উত্তম আমল।

প্রশ্ন: আশুরার দিনে বুক চাপড়ানো কি ইসলামে জায়েজ?

উত্তর: না, শোক প্রকাশের নামে বুক চাপড়ানো, শরীর ক্ষত-বিক্ষত করা বা তা’জিয়া মিছিলের মতো কাজগুলো ইসলামে অনুমোদিত নয় এবং এগুলো বিদআত বা ধর্মীয় উদ্ভাবন হিসেবে গণ্য।

প্রশ্ন: আশুরার তারিখ কীভাবে জানা যায়?

উত্তর: আশুরার তারিখ হিজরি সনের মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। নির্ভরযোগ্য ইসলামি ওয়েবসাইট বা স্থানীয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে চাঁদের খবর জেনে প্রতি বছর এর সঠিক তারিখ জানা যায়।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!