হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeতথ্য প্রযুক্তিটেক টিপস্ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম ২০২৬: অনলাইন ও এসএমএস পদ্ধতি
spot_img

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম ২০২৬: অনলাইন ও এসএমএস পদ্ধতি

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। ব্যাংকিং সেবা, পাসপোর্ট তৈরি, সিম কার্ড রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি প্রায় ২২টি জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এনআইডি কার্ড বাধ্যতামূলক। তাই আপনার কার্ডটি সচল আছে কিনা বা তথ্যগুলো সঠিক আছে কিনা, তা যাচাই করা প্রয়োজন। অনেকেই জানেন না ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম কী বা কীভাবে ঘরে বসেই এই কাজটি করা যায়।

প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আর নির্বাচন অফিসে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। nid card check বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সার্ভার ব্যবহার করে খুব সহজেই করা সম্ভব। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানাবো কীভাবে আপনি অনলাইন, এসএমএস এবং অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদের ভোটার আইডি কার্ড চেক, ডাউনলোড এবং স্মার্ট কার্ডের স্ট্যাটাস জানবেন। চলুন, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায়

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসেই জাতীয় পরিচয়পত্রের যাবতীয় তথ্য যাচাই করা সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। আপনি যদি আপনার এনআইডি কার্ডের তথ্য, ছবি বা স্ট্যাটাস দেখতে চান, তবে আপনাকে নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এখানে nid card online check এর পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো।

অনলাইনে চেক করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে:

১. জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা ভোটার নিবন্ধনের ফর্ম নম্বর।

২. সঠিক জন্ম তারিখ।

৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর (ভেরিফিকেশনের জন্য)।

৪. স্মার্টফোন (ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য)।

প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd-তে ভিজিট করতে হবে।

একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

আপনি যদি এর আগে কখনো নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট না খুলে থাকেন, তবে প্রথমেই আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আপনি নিজের প্রোফাইল বা তথ্য দেখতে পারবেন না।

  • তথ্য প্রদান: ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘রেজিস্ট্রেশন করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। এরপর একটি ফর্ম আসবে যেখানে আপনাকে নিচের তথ্যগুলো দিতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / ফর্ম নম্বর: আপনার যদি এনআইডি নম্বর থাকে তবে সেটি দিন। আর যদি নতুন ভোটার হন এবং এনআইডি না পান, তবে ভোটার হওয়ার সময় যে স্লিপ দেওয়া হয়েছিল, সেই ফর্ম নম্বরটি দিন।
  • জন্ম তারিখ: দিন, মাস এবং বছর সঠিকভাবে নির্বাচন করুন।
  • ক্যাপচা পূরণ: স্ক্রিনে প্রদর্শিত আঁকাবাঁকা অক্ষর বা সংখ্যাগুলো হুবহু পাশের বক্সে লিখুন। এরপর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করুন।
  • ঠিকানা যাচাই: পরবর্তী ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা সিলেক্ট করতে হবে। ভোটার হওয়ার সময় আপনি যে ঠিকানা দিয়েছিলেন, ঠিক সেই বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা ড্রপডাউন মেনু থেকে নির্বাচন করুন।
  • মোবাইল ভেরিফিকেশন: ঠিকানা সঠিক হলে পরবর্তী ধাপে আপনার মোবাইল নম্বরটি দেখাবে (যদি আগে দেওয়া থাকে)। আপনি চাইলে নম্বরটি পরিবর্তনও করতে পারেন। এরপর ‘বার্তা পাঠান’ বাটনে ক্লিক করলে আপনার মোবাইলে ৬ সংখ্যার একটি ওটিপি (OTP) কোড যাবে। কোডটি নির্ধারিত বক্সে বসিয়ে সাবমিট করুন।

NID Wallet অ্যাপ দিয়ে ভেরিফিকেশন

অনলাইন ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে এই ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নিরাপত্তার স্বার্থে এটি যুক্ত করা হয়েছে। মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করার পর আপনাকে ফেস বা চেহারা স্ক্যান করতে হবে। কম্পিউটার দিয়ে করলে স্ক্রিনে একটি QR Code দেখা যাবে।

প্রক্রিয়াটি হলো:

১. আপনার স্মার্টফোনের গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘NID Wallet’ নামের অ্যাপটি ইনস্টল করুন।

২. অ্যাপটি ওপেন করে কম্পিউটারের স্ক্রিনে থাকা QR Code টি স্ক্যান করুন। (আর যদি মোবাইল দিয়েই ব্রাউজ করেন, তবে সরাসরি অ্যাপে রিডাইরেক্ট হয়ে যাবে)।

৩. এরপর অ্যাপে আপনার চেহারা স্ক্যান করার নির্দেশনা আসবে। * প্রথমে সোজা তাকিয়ে থাকুন। * এরপর মাথা কিছুটা বামে ঘোরান। * শেষে মাথা কিছুটা ডানে ঘোরান।

৪. ফেস ভেরিফিকেশন বা চেহারা স্ক্যান সফল হলে ওয়েবসাইটে আপনার প্রোফাইলটি অটোমেটিক লগ-ইন হয়ে যাবে।

পাসওয়ার্ড সেট করার প্রক্রিয়া: লগ-ইন হওয়ার পর আপনি চাইলে ভবিষ্যতে সহজে প্রবেশের জন্য একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে পারেন। ‘পাসওয়ার্ড সেট করুন’ বাটনে ক্লিক করে নিজের পছন্দমতো একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন। এর ফলে পরবর্তীতে আর বারবার ফেস স্ক্যান করার প্রয়োজন হবে না, শুধু মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়েই ঢুকতে পারবেন।

(SMS) এসএমএস এর মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড চেক

বাংলাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা নেই বা অনেকের কাছে স্মার্টফোন নেই। তাদের জন্য নির্বাচন কমিশন এসএমএস এর মাধ্যমে ভোটার তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ রেখেছে। ইন্টারনেট ছাড়া খুব সহজেই সাধারণ বাটন ফোন ব্যবহার করেও এনআইডি নম্বর বা এনআইডি কার্ড চেক করা যায়।

এসএমএস এর মাধ্যমে চেক করার জন্য আপনার মোবাইলে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকতে হবে (সাধারণত ২ টাকা ৩০ পয়সা + ভ্যাট চার্জ করা হয়)।

এসএমএস ফরম্যাট: আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন: NID <স্পেস> ফর্ম নম্বর <স্পেস> জন্ম তারিখ (dd-mm-yyyy)

এরপর মেসেজটি পাঠিয়ে দিন ১০৫ নম্বরে।

উদাহরণ (Example): ধরুন, আপনার ফর্ম নম্বর ১২৩৪৫৬৭৮ এবং জন্ম তারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৯৫। তাহলে আপনি লিখবেন: NID 12345678 01-01-1995 এবং পাঠিয়ে দেবেন 105 নম্বরে।

ফিরতি এসএমএস-এ নির্বাচন কমিশন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি জানিয়ে দেওয়া হবে। এই নম্বরটি ব্যবহার করে পরবর্তীতে আপনি অনলাইন থেকে কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড চেক (স্লিপ নম্বর দিয়ে)

প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হচ্ছেন। ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক দেওয়ার পর তাদের একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র বা স্লিপ দেওয়া হয়। অনেকেই জানেন না এই স্লিপ দিয়ে কীভাবে নতুন ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে হয়।

নতুন ভোটারদের ক্ষেত্রে অনেক সময় সরাসরি স্লিপ নম্বর দিলে ওয়েবসাইটে তথ্য আসে না বা ‘Error’ দেখায়। এর একটি সহজ সমাধান আছে।

নিয়মটি হলো:

১. নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের রেজিস্ট্রেশন পেজে যান।

২. ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / ফর্ম নম্বর’ এর ঘরে আপনার স্লিপ নম্বরটি লিখুন।

৩. যদি স্লিপ নম্বরটি ৮ সংখ্যার কম হয় বা সরাসরি কাজ না করে, তবে স্লিপ নম্বরের ঠিক আগে ইংরেজিতে ‘NIDFN’ কথাটি যুক্ত করুন। উদাহরণ: আপনার স্লিপ নম্বর যদি হয় 567890, তবে লিখবেন NIDFN567890।

  • ৪. বাকি প্রক্রিয়া (জন্ম তারিখ, ঠিকানা, মোবাইল ভেরিফিকেশন) আগের মতোই সম্পন্ন করুন।

সঠিকভাবে লগ-ইন করতে পারলে আপনি আপনার প্রোফাইলে এনআইডি নম্বরটি দেখতে পাবেন এবং কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

স্মার্ট কার্ড চেক করার নিয়ম ও স্ট্যাটাস

বর্তমানে লেমিনেটেড এনআইডি কার্ডের পরিবর্তে নাগরিকদের উন্নত মানের স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। আপনার স্মার্ট কার্ডটি তৈরি হয়েছে কিনা বা কবে হাতে পাবেন, তা জানার জন্য স্মার্ট কার্ড চেক করা জরুরি।

স্মার্ট কার্ডের স্ট্যাটাস আপনি দুইভাবে জানতে পারেন:

১. অনলাইন পোর্টাল থেকে।

২. এসএমএস এর মাধ্যমে।

অনলাইনে চেক: আপনার অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করার পর ড্যাশবোর্ডের বাম পাশে বা মেনুতে ‘স্মার্ট এনআইডি স্ট্যাটাস’ (Smart NID Status) নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করলে আপনার কার্ডটির বর্তমান অবস্থা দেখা যাবে। যদি লেখা থাকে “Complete” বা “Distributed”, তার মানে কার্ডটি প্রস্তুত।

স্মার্ট কার্ড বিতরণ কেন্দ্র জানার উপায়

আপনার স্মার্ট কার্ডটি প্রস্তুত থাকলে সেটি কোথা থেকে সংগ্রহ করবেন, তা জানা প্রয়োজন। এটি জানার জন্য ১০৫ নম্বরে কল করতে পারেন অথবা একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠাতে পারেন।

এসএমএস পদ্ধতি: টাইপ করুন: SC <স্পেস> NID <স্পেস> আপনার এনআইডি নম্বর পাঠিয়ে দিন ১০৫ নম্বরে।

ফিরতি মেসেজে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে আপনার স্মার্ট কার্ডটি কোন এলাকার নির্বাচন অফিসে বা বিতরণ কেন্দ্রে আছে এবং কবে নাগাদ সেটি সংগ্রহ করা যাবে। মনে রাখবেন, স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের সময় অবশ্যই পুরনো এনআইডি কার্ডটি জমা দিতে হবে এবং সশরীরে উপস্থিত থেকে আঙুলের ছাপ দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম

অনলাইনে সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন এবং লগ-ইন করার পর আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ডিজিটাল কপি বা অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি আসল কার্ডের মতোই সব কাজে ব্যবহারযোগ্য।

ডাউনলোড প্রক্রিয়া:

১. প্রোফাইলে লগ-ইন করার পর ডান দিকে বা নিচের দিকে ‘ডাউনলোড’ (Download) নামক একটি বাটন দেখতে পাবেন।

২. সেখানে ক্লিক করলে একটি পিডিএফ (PDF) ফাইল ডাউনলোড হবে।

৩. ফাইলটি ওপেন করে কালার প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিন।

এই অনলাইন কপিতে নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি ব্যাংক, পাসপোর্ট অফিস বা যেকোনো আইনি কাজে ব্যবহার করা যাবে।

ভোটার তথ্য যাচাই বা সংশোধন: ডাউনলোড করার পর যদি দেখেন আপনার নাম, বাবার নাম বা বয়সে কোনো ভুল আছে, তবে ওই একই প্রোফাইল থেকে ‘সংশোধন’ বা ‘Correction’ অপশনে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে এবং প্রমাণের কাগজপত্র আপলোড করে আবেদন করতে হয়।


জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড আমাদের নাগরিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম জানা থাকা প্রত্যেকের জন্যই জরুরি। আশা করি, আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা nid card online check, এসএমএস পদ্ধতি এবং স্মার্ট কার্ড স্ট্যাটাস সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন।

প্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। তাই দালালের খপ্পরে না পড়ে বা অযথা সময় নষ্ট না করে নিজেই নিজের তথ্য যাচাই করুন। আপনার তথ্য সঠিক থাকা মানেই নাগরিক হিসেবে আপনার সুবিধাগুলো নিশ্চিত হওয়া।এই প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করতে গিয়ে যদি কোনো জটিলতায় পড়েন, তবে সরাসরি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের হেল্পলাইন ১০৫ নম্বরে কল করতে পারেন। আপনার এনআইডি সংক্রান্ত যেকোনো আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন।

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন: আমি কিভাবে আমার ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে পারি?

উত্তর: আপনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট services.nidw.gov.bd-তে রেজিস্ট্রেশন করে অথবা ১০৫ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে খুব সহজেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে পারেন।

প্রশ্ন: এনআইডি কার্ড চেক করার ওয়েবসাইট কোনটি?

উত্তর: এনআইডি কার্ড চেক করার একমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো services.nidw.gov.bd। এখান থেকেই রেজিস্ট্রেশন, সংশোধন ও ডাউনলোডের কাজ করা হয়।

প্রশ্ন: স্লিপ নম্বর দিয়ে কি আইডি কার্ড বের করা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই যায়। আপনি রেজিস্ট্রেশন করার সময় এনআইডি নম্বরের পরিবর্তে স্লিপ বা ফর্ম নম্বর ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজনে নম্বরের আগে ‘NIDFN’ যুক্ত করতে হবে।

প্রশ্ন: ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় কী?

উত্তর: ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় জিডি (GD) করতে হবে। এরপর জিডি কপির স্ক্যান কপি অনলাইনে আপলোড করে বা নির্বাচন অফিসে জমা দিয়ে রি-ইস্যু (Re-issue) বা ডুপ্লিকেট কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন: এসএমএস এর মাধ্যমে এনআইডি বের করার নিয়ম কী?

উত্তর: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NID <স্পেস> ফর্ম নম্বর <স্পেস> জন্ম তারিখ (dd-mm-yyyy) এবং পাঠিয়ে দিন ১০৫ নম্বরে।

প্রশ্ন: স্মার্ট কার্ড কবে পাবো কিভাবে জানবো?

উত্তর: আপনার স্মার্ট কার্ডের স্ট্যাটাস জানতে SC <Space> NID <Space> 10/13/17 Digit NID No লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠান। ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেয়া হবে কার্ড তৈরি হয়েছে কিনা বা কোথায় আছে।

প্রশ্ন: অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা এনআইডি কি সব জায়গায় গ্রহণযোগ্য?

উত্তর: হ্যাঁ, অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা এনআইডি কার্ডটি নির্বাচন কমিশনের সার্ভার থেকে জেনারেট করা এবং এতে ডিজিটাল স্বাক্ষর থাকে। তাই এটি ব্যাংক, পাসপোর্টসহ সব সরকারি-বেসরকারি কাজে গ্রহণযোগ্য।

প্রশ্ন: আমার এনআইডি কার্ডের ছবিতে সমস্যা, পরিবর্তন করবো কীভাবে?

উত্তর: ছবির পরিবর্তন অনলাইনে করা যায় না। এ জন্য আপনাকে সরাসরি উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হবে এবং পুনরায় ছবি তুলতে হবে।

প্রশ্ন: নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে?

উত্তর: নতুন ভোটার হতে জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার এনআইডি কপি, নাগরিকত্ব সনদ, এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি থাকে) প্রয়োজন হয়।

প্রশ্ন: নির্বাচন কমিশনের হেল্পলাইন নম্বর কত?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনের যেকোনো সেবা বা অভিযোগের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হলো ১০৫। অফিস চলাকালীন সময়ে এখানে কল করে সেবা পাওয়া যায়।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!