হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeআর্ন্তজাতিকট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রস্তুত ইসরায়েল
spot_img

ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রস্তুত ইসরায়েল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনায় হামাস আংশিক সম্মতি দিয়েছে। এর পর ইসরায়েল ঘোষণা করেছে, তারা পরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে প্রস্তুত। মূল লক্ষ্য হলো সব জিম্মিকে দ্রুত মুক্ত করা।

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের বিবৃতি

শনিবার ভোরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়, ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইসরায়েল পূর্ণ সহযোগিতায় কাজ চালিয়ে যাবে। যুদ্ধের অবসান ঘটাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হবে।
তবে বিবৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়নি। ট্রাম্প গাজায় বোমাবর্ষণ অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। অথচ ইসরায়েল সেই আহ্বানের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেছে।

ইসরায়েল সেনাপ্রধানের নির্দেশনা

হামাসের আংশিক সম্মতির পর ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির বৈঠকে বসেন। তিনি শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।
এরপর আইডিএফ একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে জানানো হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে এখন আইডিএফ তৈরি।

ট্রাম্পের আলটিমেটাম ও হামাসের প্রতিক্রিয়া

শুক্রবার ট্রাম্প সরাসরি হামাসকে আলটিমেটাম দেন। তিনি রোববার রাত পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন। প্রস্তাব না মানলে গাজায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
কয়েক ঘণ্টা পর হামাস প্রতিক্রিয়া জানায়। তারা জানায়, প্রস্তাবে আংশিক সম্মতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধ বন্ধ হলে সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে। এমনকি ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও তারা প্রস্তুত।

ট্রাম্পের নতুন আহ্বান

হামাসের ঘোষণার পর ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া Truth Social-এ বার্তা দেন। তিনি গাজায় অবিলম্বে বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানান। তার মতে, জিম্মিদের নিরাপদ মুক্তির জন্য এই পদক্ষেপ একেবারেই জরুরি।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

বিশ্লেষকরা বলছেন, হামাসের আংশিক সম্মতি আলোচনায় ইতিবাচক ইঙ্গিত। তবে পুরোপুরি সমঝোতা না হওয়ায় অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে।
ইসরায়েলের ভেতরেও ভিন্নমত রয়েছে। কেউ শান্তি পরিকল্পনার পক্ষে, আবার কেউ কৌশলগত কারণে দ্বিধায়। তবুও নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের ঘোষণা প্রমাণ করছে, অন্তত জিম্মি মুক্তির ক্ষেত্রে ইসরায়েল এখন পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।


আগামী কয়েক দিন এই প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, তবে এটি হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনের পথে একটি বাঁক। কিন্তু হামাস ও ইসরায়েল উভয়ের অবস্থান এখনো আংশিক সমঝোতার সীমায় আটকে আছে। তাই পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা সময়ই বলে দেবে।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!