জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, কমিশন বর্ধিত মেয়াদের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে চায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন দ্রুত চূড়ান্ত করতে চায় কমিশন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় ধাপের বৈঠক শুরু হয়। কমিশনের মেয়াদ সম্প্রতি এক মাস বাড়ানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন দল ছয়টি উপায়ে প্রস্তাব দিয়েছে। কেউ গণভোটের মাধ্যমে কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছে, আবার কেউ সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে। বিশেষজ্ঞরা সংবিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো গণভোট বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সনদে স্বাক্ষরের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধির নামও কমিশনের কাছে পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। বেশির ভাগ দল ইতিমধ্যে তাদের প্রতিনিধির নাম পাঠিয়েছে। আলী রীয়াজ বলেছেন, সরকার প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।
আজকের বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, সিপিবিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। বৈঠকের সঞ্চালক ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ইফতেখারুজ্জামান ও বদিউল আলম মজুমদার।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এই উদ্যোগ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে। এটি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি করবে এবং সনদ কার্যকর করার পথ সুগম করবে।








