নির্বাচনী প্রচারণায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে ভোটারদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ঢাকা-১১ আসনের ১১-দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মোঃ নাহিদ ইসলাম। ভোটারদের ভোগান্তি কমাতে এবং ভোটকেন্দ্র খুঁজে পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে তিনি চালু করেছেন একটি বিশেষ ওয়েবসাইট ও কল সেন্টার সেবা।
এক ক্লিকেই ভোটকেন্দ্রের অবস্থান
ঢাকা-১১ আসনের ভোটাররা এখন থেকে ঘরে বসেই তাদের নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রের নাম ও অবস্থান জানতে পারবেন। প্রার্থীর পক্ষ থেকে চালু করা nahidfordhaka11.com এই ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অনুযায়ী তথ্য প্রদান করলেই মুহূর্তের মধ্যে বিস্তারিত জানা যাবে। এর ফলে নির্বাচনের দিন কেন্দ্র খোঁজা নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তা থেকে মুক্তি পাবেন সাধারণ ভোটাররা।
ওয়েবসাইটের বিশেষ ফিচারসমূহ
শুধুমাত্র ভোটকেন্দ্রের তথ্যই নয়, ওয়েবসাইটটিতে আরও বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচার যুক্ত করা হয়েছে:
- প্রার্থীর জীবন সংগ্রাম: একজন সাধারণ মানুষ থেকে আজকের ‘নাহিদ ইসলাম’ হয়ে ওঠার পেছনের অনুপ্রেরণামূলক গল্পসমূহ।
- জনতার ইশতেহার: ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়নে প্রার্থীর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার।
- প্রতিনিধিদের তথ্য: প্রতিটি ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে, যাতে যেকোনো প্রয়োজনে ভোটাররা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
ইন্টারনেট ছাড়াই মিলবে তথ্য: কল সেন্টার সুবিধা
যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা রয়েছে বা যারা বয়স্ক ভোটার, তাদের কথা মাথায় রেখে চালু করা হয়েছে ডেডিকেটেড কল সেন্টার। +8809640113624 নম্বরে ফোন করলেই মিলবে প্রয়োজনীয় সব নির্বাচনী তথ্য। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সঠিক সময়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে এই কল সেন্টারটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বৈষম্যহীন ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার
প্রার্থী মোঃ নাহিদ ইসলাম জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভোটারদের সচেতন ও দায়িত্বশীল করে তোলা। তিনি বলেন, “আগামীর বৈষম্যহীন ঢাকা-১১ বিনির্মাণে প্রযুক্তি আমাদের বড় হাতিয়ার। আমি চাই প্রতিটি ভোটার যেন নির্বিঘ্নে তাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।” উল্লেখ্য, এই আসনে তিনি “শাপলা কলি” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কেন এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ?
সাধারণত নির্বাচনের দিন ভোটাররা তাদের ভোটার নম্বর বা কেন্দ্র নিয়ে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়েন। নাহিদ ইসলামের এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি ভোটারদের আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করছে। এছাড়া প্রতিনিধিদের নম্বর উন্মুক্ত থাকায় যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা পাওয়া সম্ভব হবে। ভোটাররা এই আধুনিক ও জনবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।








