হটলাইনঃ +৮৮০ ৯৬১৩ ০০০ ২০০ |
Tuesday, August 18, 2026
- বিজ্ঞাপন-spot_img
Homeখেলাধুলাবিপিএল ২০২৬: নিলাম শেষে ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড ও শক্তির বিশ্লেষণ
spot_img

বিপিএল ২০২৬: নিলাম শেষে ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড ও শক্তির বিশ্লেষণ

বিপিএল ২০২৬ নিলাম শেষে কোন দলে গেলেন কোন তারকা ক্রিকেটার? সব কৌতূহলকে সঙ্গী করে শেষ হলো এবারের বিপিএলের জমজমাট খেলোয়াড় নিলাম। দেশি এবং বিদেশি তারকাদের নিয়ে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের দল সাজানোর কাজ সম্পন্ন করেছে। দেশের ১৫৮ জন এবং বিদেশের ২৮৭ জন ক্রিকেটারের মধ্য থেকে দলগুলো নিজেদের স্কোয়াড তৈরি করেছে।

নিলামের শুরুতেই বড় চমক হিসেবে দেখা গেল ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখকে। দেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে অবশ্য দলগুলো নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তিতে জোর দিয়েছিল। নিলামে সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার ডলারে শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার দাসুন শানাকাকে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

খেলোয়াড় কেনা-বেচার এই পর্ব শেষ হওয়ার পর এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে একটাই প্রশ্ন কোন দল কেমন হলো এবং কাদের হাতে উঠবে এবারের শিরোপা?

এই সম্পূর্ণ আয়োজন, অর্থাৎ বিপিএল-কে কেন্দ্র করে এবার প্রতিটি দলের দিকেই নজর দেওয়া যাক। আমরা এই কন্টেন্টে নিলাম শেষে প্রতিটি দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড এবং তাদের শক্তিমত্তা নিয়ে আলোচনা করব।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর স্কোয়াড পরিচিতি

নিলাম পর্ব শেষ হওয়ার পর এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি কোন তারকাদের দলে নিয়েছে।

রংপুর রাইডার্স: ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠনের চেষ্টা

রংপুর রাইডার্স এবারের নিলামে কিছুটা কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা দলের মূল কাঠামো সরাসরি চুক্তিতেই তৈরি করে রেখেছিল। নুরুল হাসান সোহানের মতো অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান, গতি তারকা মুস্তাফিজুর রহমানসহ পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটারকে তারা আগে থেকেই নিশ্চিত করে।

নিলামে তারা মনোযোগ দিয়েছে টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং ফিনিশারদের দিকে। লিটন কুমার দাসকে পাওয়ায় তাদের ব্যাটিং লাইনআপে বড় শক্তি যোগ হয়েছে। পাশাপাশি তরুণ তাওহিদ হৃদয় এবং অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে দলে নেওয়ায় তাদের মিডল-অর্ডার বেশ শক্তিশালী দেখাচ্ছে। বোলিংয়ে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী এবং নাহিদ রানার মতো পেসাররা যোগ দেওয়ায় তাদের আক্রমণভাগ বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ।

রংপুর রাইডার্সের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

  • সরাসরি চুক্তি: নুরুল হাসান সোহান, মুস্তাফিজুর রহমান, খাওয়াজা নাফে (পাকিস্তান), সুফিয়ান মুকিম (পাকিস্তান)।
  • নিলাম থেকে: লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়, নাহিদ রানা, রকিবুল হাসান, আলিস আল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি, নাঈম হাসান, কামরুল ইসলাম রাব্বি, মেহেদি হাসান সোহাগ, ইফতেখার হোসেন ইফতি, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আব্দুল হালিম, এমিলো গে (ইতালি), মোহাম্মদ আখলাক (পাকিস্তান)।

ঢাকা ক্যাপিটালস: তারকার মেলা

ঢাকা ক্যাপিটালস এবারের নিলামে চমক দেখিয়েছে। সরাসরি চুক্তিতে তারা পেস বোলার তাসকিন আহমেদের মতো একজন নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলসকে সরাসরি যুক্ত করে তারা নিজেদের টপ-অর্ডারকে বিশ্বমানের করেছে।

নিলামের দিন তারা মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও শামীম হোসেনের মতো অলরাউন্ডারদের নিয়ে দল ভারি করেছে। মিডল-অর্ডারে মোহাম্মদ মিঠুন এবং সাব্বির রহমানের মতো পরীক্ষিত ব্যাটসম্যান থাকায় দলের ব্যাটিং গভীরতা বেড়েছে। স্পিন বিভাগে তাইজুল ইসলাম এবং ফিনিশিংয়ে নাসির হোসেনের উপস্থিতি ঢাকাকে একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। বিদেশি কোটায় দাসুন শানাকার অন্তর্ভুক্তি দলের অলরাউন্ডিং শক্তিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ঢাকা ক্যাপিটালসের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

  • সরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান (পাকিস্তান), অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড)।
  • নিলাম থেকে: শামীম হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মোহাম্মদ মিঠুন, তাইজুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, তোফায়েল আহমেদ, ইরফান শুক্কুর, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মারুফ মৃধা, জায়েদ উল্লাহ, মইনুল ইসলাম, দাসুন শানাকা (শ্রীলঙ্কা), জুবাইদ আকবারি (আফগানিস্তান)।

সিলেট টাইটান্স: অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের মিশ্রণ

সিলেট টাইটান্স এবারের বিপিএলে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার এক চমৎকার মিশ্রণ তৈরি করেছে। দলের স্পিন বিভাগের অন্যতম ভরসা নাসুম আহমেদ এবং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে তারা সরাসরি চুক্তিতে নিশ্চিত করেছে। বিদেশি কোটায় তারা পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমিরকে দলে ভিড়িয়ে বোলিং শক্তি বাড়িয়েছে।

নিলামে তারা পারভেজ হোসেন ইমন এবং আফিফ হোসেনের মতো তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের দলে নিয়েছে। তাদের মিডল-অর্ডারে রনি তালুকদার, জাকির হাসান এবং অভিজ্ঞ মুমিনুল হকের মতো ব্যাটসম্যানরা আছেন। বোলারদের মধ্যে সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন এবং শহিদুল ইসলামের মতো গতিময় বোলার থাকায় সিলেটে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি হয়েছে। শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে দলে পাওয়া তাদের জন্য বড় সুবিধা।

সিলেট টাইটান্সের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

  • সরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইম আইয়ুব (পাকিস্তান), মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান)।
  • নিলাম থেকে: পারভেজ হোসেন ইমন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আফিফ হোসেন, রনি তালুকদার, জাকির হাসান, রুয়েল মিয়া, আরিফুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন, শহিদুল ইসলাম, রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ, তৌফিক খান তুষার, মুমিনুল হক, রবিউল ইসলাম রবি, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (শ্রীলঙ্কা), অ্যারন জোন্স (যুক্তরাষ্ট্র)।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: দেশি তারকার দাপট

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স দল সাজিয়েছে মূলত দেশি অভিজ্ঞ এবং প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে। সরাসরি চুক্তিতে টপ-অর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তানজিদ হাসান তামিমকে পাওয়ায় তাদের ব্যাটিং শুরুটা বেশ শক্তিশালী হয়েছে। বিদেশি কোটায় তারা পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান এবং মোহাম্মদ নওয়াজকে দলে নিয়ে একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করেছে।

নিলামের সবচেয়ে বড় চমক ছিল মুশফিকুর রহিমকে দলে নেওয়া। এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানের উপস্থিতি দলের মিডল-অর্ডারকে স্থিতিশীলতা দেবে। তানজিম হাসান সাকিব ও ইয়াসির আলী চৌধুরীর মতো তরুণদের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার স্পিনার দুশান হেমান্থা এবং পাকিস্তানের জাহান্দাদ খান দলের বিদেশি শক্তি বাড়িয়েছেন।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

  • সরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান), মোহাম্মদ নাওয়াজ (পাকিস্তান)।
  • নিলাম থেকে: তানজিম হাসান সাকিব, ইয়াসির আলি চৌধুরি, আকবর আলি, রিপন মন্ডল, জিসান আলম, হাসান মুরাদ, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, এসএম মেহেরব হাসান, ওয়াসি সিদ্দিক, মোহাম্মদ রুবেল, মুশফিকুর রহিম, দুশান হেমান্থা (শ্রীলঙ্কা), জাহান্দাদ খান (পাকিস্তান)।

চট্টগ্রাম রয়্যালস: নাঈম শেখের উপর ভরসা

চট্টগ্রাম রয়্যালস এবারের নিলামে একটি বড় বাজি ধরেছে সেটি হলো ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে নিয়ে তারা নিজেদের টপ-অর্ডারকে সুরক্ষিত করেছে। সরাসরি চুক্তিতে অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান এবং তানভির ইসলামের মতো তারকারা আগে থেকেই দলে ছিলেন।

নিলামে তারা পেসার শরিফুল ইসলাম এবং আবু হায়দার রনির মতো গতিময় বোলারদের নিয়ে এসেছে। মাহমুদুল হাসান জয় ও সুমন খানদের মতো তরুণদের দলে নেওয়ায় তাদের স্কোয়াডে ভবিষ্যতের তারকাদের প্রাধান্য দেখা যায়। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শুভাগত হোম এবং জিয়াউর রহমান মিডল-অর্ডারে ভরসা যোগাবেন। বিদেশি কোটায় শ্রীলঙ্কার নিরোশান ডিকভেলা এবং অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে দলে নিয়ে চট্টগ্রাম তাদের ব্যাটিং এবং অলরাউন্ডিং শক্তিকে বাড়িয়ে তুলেছে।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

  • সরাসরি চুক্তি: শেখ মেহেদি হাসান, তানভির ইসলাম, আবরার আহমেদ (পাকিস্তান)।
  • নিলাম থেকে: মোহাম্মদ নাঈম শেখ, শরিফুল ইসলাম, আবু হায়দার রনি, মাহমুদুল হাসান জয়, সুমন খান, জিয়াউর রহমান, আরাফাত সানি, মুকিদুল ইসলাম, সালমান হোসেন, শুভাগত হোম, জাহিদউজ্জামান, নিরোশান ডিকভেলা (শ্রীলঙ্কা), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (শ্রীলঙ্কা)।

নোয়াখালী এক্সপ্রেস: অলরাউন্ডারদের প্রাধান্য

নোয়াখালী এক্সপ্রেস সরাসরি চুক্তিতেই বড় চমক দিয়েছে। তারা তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ এবং অভিজ্ঞ ওপেনার সৌম্য সরকারকে দলে নিয়েছে। বিদেশিদের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জনসন চার্লস এবং শ্রীলঙ্কার কুসাল মেন্ডিসের মতো টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্টদের দলে পাওয়ায় তাদের ব্যাটিং শক্তি বেড়েছে।

নিলামে তারা জাকের আলী অনিক এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের মতো উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানদের দলে নিয়েছে। নাজমুল ইসলাম অপু এবং সৈকত আলীর মতো নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডারদের নিয়ে তারা দল সাজিয়েছে। শাহাদাত হোসেন এবং রেজাউর রহমান রাজার মতো তরুণদের দিকেও ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নজর দিয়েছে। পাকিস্তানের ইহসানউল্লাহ এবং হায়দার আলিকে দলে নেওয়ায় তাদের বিদেশি কোটা বেশ শক্তিশালী হয়েছে।

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

  • সরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), কুসাল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা)।
  • নিলাম থেকে: জাকের আলি অনিক, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, হাবিবুর রহমান সোহান, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু হাশিম, মুশফিক হাসান, শাহাদাত হোসেন, রেজাউর রহমান রাজা, মেহেদি হাসান রানা, সৈকত আলি, সাব্বির হোসেন, ইহসানউল্লাহ (পাকিস্তান), হায়দার আলি (পাকিস্তান)।

বিপিএল ২০২৬ এর শক্তি-পরীক্ষা: কোন দল এগিয়ে?

নিলাম শেষে দলগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায়, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিই এবার শিরোপা জেতার জন্য বেশ কৌশলী হয়েছে।

প্রথমত, ঢাকা ক্যাপিটালস এবং রংপুর রাইডার্স দল দুটিকে কাগজে-কলমে সবচেয়ে শক্তিশালী মনে হচ্ছে। ঢাকার টপ-অর্ডারে অ্যালেক্স হেলস এবং মিডল-অর্ডারে মিঠুন-সাব্বিরদের মতো অভিজ্ঞদের উপস্থিতি তাদের ব্যাটিংকে স্থিতিশীলতা দিয়েছে। অন্যদিকে, রংপুরের লিটন, হৃদয় এবং রিয়াদের মতো দেশি তারকারা ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখেন। মুস্তাফিজুর রহমান এবং মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর মতো বোলাররা রংপুরের বড় শক্তি।

দ্বিতীয়ত, সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ দল বলা যায়। সিলেট টাইটান্সের বড় শক্তি হলো তাদের অলরাউন্ডিং বিভাগ, যেখানে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস আছেন। রাজশাহীর মূল শক্তি মুশফিকুর রহিম এবং নাজমুল হোসেন শান্তর মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের উপস্থিতি।

তৃতীয়ত, চট্টগ্রাম রয়্যালস এবং নোয়াখালী এক্সপ্রেস দল দুটির দিকেও নজর রাখতে হবে। চট্টগ্রাম নাঈম শেখের মতো তারকাকে দলে ভিড়িয়েছে এবং তাদের বোলিং লাইনআপে শরিফুল ইসলাম ও আবু হায়দার রনি আছেন। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিদেশি তারকা জনসন চার্লস এবং কুসাল মেন্ডিস তাদের দলকে একটি আক্রমণাত্মক টপ-অর্ডার উপহার দিতে পারেন। এই দলগুলোর পারফরম্যান্স অনেকটা নির্ভর করবে তাদের তরুণ ক্রিকেটারদের খেলার ধরনের ওপর।

সবমিলিয়ে, বিপিএল ২০২৬ এর এই আসরটি হতে চলেছে খুবই জমজমাট ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রতিটি দলই এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন যেকোনো দিন যেকোনো দলই অন্য দলকে হারিয়ে দিতে পারে। এখন শুধু মাঠের লড়াই দেখার অপেক্ষা। কোন দল সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামে এবং শেষ হাসি কে হাসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বিজ্ঞাপন-spot_img

সাম্প্রতিক মন্তব্য

- বিজ্ঞাপন-spot_img
error: Content is protected !!