মস্কোয় গত ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ‘মস্কো ফরম্যাট কনসালটেশন’ বৈঠকে অংশ নেওয়া রাশিয়া, চীন, ভারত ও পাকিস্তান একসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাগরাম বিমানঘাঁটি ফেরত দাবি করার প্রচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ করেছে। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, আফগানিস্তান ও তার প্রতিবেশী এলাকায় নতুন কোনো সামরিক অবকাঠামো গড়ার উদ্যোগ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিরোধী।
ট্রাম্প আগে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে ঘাঁটি নির্মাণ করেছিল, তা “ফের” চায়। তিনি যুক্তরাষ্ট্র–আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করলেও, বাগরাম সম্মোলন হিসেবে কোনও কিছুই পায়নি দাবি করেন। তবে আফগান তালেবান কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ভারত এই বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে, এমন সময় আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি আসছেন নয়াদিল্লিতে। এটি তালেবান শাসিত আফগান সরকারের একজন সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রথম ভারত সফর। তাদের সফর ৯–১৬ অক্টোবর পর্যন্ত স্থায়ী হবে এবং তা জাতিসংঘে অনুমোদিত।
যদিও ভারত এখনও তালেবানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের ভূমিকাকে বিশেষ অর্থ দেওয়া হচ্ছে কারণ, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের উত্তেজনায় নয়াদিল্লি কাবুলের সঙ্গে ঘন যোগাযোগ গড়ে তুলতে চায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের সঙ্গে একসঙ্গে ট্রাম্পের দাবি বিরোধ করাটা ভারতের জন্য একটি কূটনৈতিক সাফল্য হতে পারে — এটি ভারতের আন্তর্জাতিক তথা আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত।








