বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে। কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে, আবার কোথাও থাকবে তীব্র রোদ ও গরম। এর ফলে জনজীবন ও কৃষি কাজে প্রভাব পড়তে পারে।
উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা
বিশেষ করে সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
তবে অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। তাই স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গরম আবহাওয়া
অন্যদিকে, খুলনা, যশোর, বরিশালসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টি কম হবে। দুপুরের দিকে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। এর ফলে তীব্র গরমে জনজীবনে ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় সকাল থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। দুপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তাপমাত্রার পূর্বাভাস
রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২–৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬–২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম ও সিলেটে বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯–৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে।
অন্যদিকে রাজশাহী ও খুলনায় তাপমাত্রা বেশি থাকবে। সর্বোচ্চ ৩৪–৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
কৃষি ও সাধারণ জনগণের জন্য প্রভাব
মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টি বেশি হবে। এর ফলে কৃষিতে ধান ও অন্যান্য ফসলের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অতিবৃষ্টিতে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
জনগণকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বৃষ্টি হতে পারে এমন এলাকায় ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখতে। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলে যারা বাইরে যাবেন, তাদের প্রচণ্ড গরম ও রোদ থেকে বাঁচতে হালকা পোশাক ও পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা
সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তাই মৎস্যজীবী ও নৌযান চালকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সার্বিক চিত্র
সব মিলিয়ে বলা যায়, আগামিকালের আবহাওয়া বৈচিত্র্যময় হবে। কোথাও বৃষ্টি স্বস্তি এনে দেবে, আবার কোথাও গরমে কষ্ট বাড়বে। তাই ভ্রমণ বা কাজে বের হওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেট দেখে নেওয়া উচিত।








