রুতবা ইয়াসমিন, প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে চাঁদে যাওয়ার প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। এছাড়া, তিনি ‘স্পেস নেশন’-এর মুন পাইওনিয়ার মিশন-এ সফলভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং চাঁদে পা রাখার দৌড়ে সামনের সারিতে রয়েছেন।
রুতবা ঢাকা স্কলাসটিকা স্কুল থেকে শিক্ষা শুরু করেন। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট হোলিওক কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে ডিগ্রি এবং গণিতে মাইনর শেষ করেন। কোভিডের সময় দেশে ফিরে তিনি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ডেটা সায়েন্সে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আলাবামা থেকে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স শেষ করেন।

তাছাড়া, মহাকাশ আবহাওয়ার ওপর তার গবেষণা বিশেষভাবে ভূচৌম্বকীয় ঝড় সম্পর্কিত। রুতবা মনে করেন, মহাকাশে নারীর অংশগ্রহণ এখনও সীমিত। তিনি বলেন, “মহাকাশশিল্পে মাত্র ১১ শতাংশ মহাকাশচারী নারী। তাই এ চিত্র পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।”
মুন পাইওনিয়ার মিশন-এ তার প্রশিক্ষণ চ্যালেঞ্জিং ছিল। বিশেষ করে স্পেসস্যুট পরা, ইভিএ বা মহাকাশের বাইরে কাজ, এবং মিশন কন্ট্রোলে যোগাযোগ রক্ষা শেখা ছিল মূল বিষয়। এক সময়, সিমুলেশনে বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে রুতবা জরুরি পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি সামলান। পাশাপাশি, তিনি আইএসআরইউ (স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার) মডিউলের দিকনির্দেশনা দিয়ে দলের সাফল্যে অবদান রাখেন।
রুতবার মতে, এই মিশন ছিল দলের সমন্বয়, চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের এক দারুণ পরীক্ষা।








