গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট মেট্রো রেল স্টেশনের পশ্চিম পাশে ৪৩৩ নম্বর পিলার থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে। পথচারী আবুল কালাম আজাদের (৩৫) মাথায় লেগে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এই দুর্ঘটনা পুরো দেশের মানুষের মধ্যে দুঃখের সঞ্চার করেছে। নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
তদন্ত কমিটি গঠন
ঘটনার পর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।
আইরিন আক্তার পিয়ার নিয়োগ
ঘটনার পর নিহত আবুল কালামের স্ত্রী আইরিন আক্তার পিয়া মেট্রোরেলে চাকরি পাবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র দেখার পর তার পদ নির্ধারণ করা হবে।
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনার একটি পদক্ষেপ।
আইরিন আক্তার পিয়া ইতিমধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ তাকে উপযুক্ত পদে নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
পরিবারের প্রতিক্রিয়া
নিহতের পরিবার এই নিয়োগের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তারা বলছেন, এটি তাদের জন্য কিছুটা সান্ত্বনার বিষয়।
ভবিষ্যতে মেট্রোরেল নিরাপত্তা
এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা রোধে পিলার, বিয়ারিং প্যাড ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।
সরকারের ভূমিকা
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় মেট্রোরেল দুর্ঘটনা এবং নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে সরাসরি নজর রাখছে। তাদের লক্ষ্য, জনগণ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে।
আইরিন আক্তার পিয়ার মামলার অবস্থা
ঘটনার পর আইরিন পিয়া বাদী হয়ে তৎক্ষণাৎ তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত এখনো চলমান।
এই মামলার মাধ্যমে দায়িত্বশীলদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বিয়ারিং প্যাড দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ চাকরির ব্যবস্থা করেছে। এটি দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণ এবং সমবেদনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আইরিন আক্তার পিয়ার নিয়োগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এই ধরনের দুর্ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে একটি শক্তিশালী উদাহরণ হবে।








