বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অন্যতম আলোচিত নাম শরীফ ওসমান হাদি। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই বিপ্লবের অন্যতম অগ্রসৈনিক এই তরুণকে হত্যার এক ভয়াবহ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডের নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল ঢাকার অদূরে সাভারের একটি নির্জন রিসোর্টে। গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার ভোরে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করেছে। সাভারের ওই রিসোর্টে বসে ঘাতক চক্রটি হামলার প্রতিটি ধাপ এবং পালানোর পথ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছিল। এই ঘটনায় মূল শুটার থেকে শুরু করে তার সহযোগীদের গতিবিধি এখন গোয়েন্দাদের নখদর্পণে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এমন সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা দেশবাসীকে গভীরভাবে আতঙ্কিত করেছে।
সাভারের রিসোর্টে কিলিং মিশনের গোপন ছক
শরীফ ওসমান হাদিকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘাতক চক্রটি গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার ভোররাতকে বেছে নিয়েছিল। সাভারের একটি রিসোর্টে তারা একত্রিত হয় যাতে জনচক্ষুর আড়ালে থেকে হামলার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করা যায়। গোয়েন্দা সংস্থা ধারণা করছে যে এই ষড়যন্ত্র কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নয় বরং একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে ওই রিসোর্টের কক্ষে বসে হামলার সময় নির্ধারণ এবং অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ঘাতকরা মনে করেছিল রিসোর্টের নির্জন পরিবেশ তাদের পরিকল্পনার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হবে। তবে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সিসিটিভি ফুটেজের কল্যাণে তাদের সেই গোপন বৈঠক এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। গোয়েন্দাদের মতে এই ষড়যন্ত্রের মূলে ছিল অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী যারা জুলাই বিপ্লবের আদর্শকে ধ্বংস করতে চায়।
সিসিটিভি ফুটেজে ঘাতকদের গতিবিধি
তদন্তকারী দলের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী শুক্রবার ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে ঘাতক চক্রের সদস্যরা রিসোর্টে প্রবেশ করে। তারা সেখানে সকাল ৮টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করে যা প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টারও বেশি সময়। ফুটেজে দেখা গেছে কিলিং মিশনের প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগীরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে রিসোর্টে আসা-যাওয়া করছে। গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে তারা রিসোর্টে অবস্থানের সময় একে অপরের সাথে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে কথা বলছিল। তাদের শরীরী ভাষা এবং গতিবিধি দেখে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে তারা কোনো সাধারণ পর্যটক হিসেবে সেখানে আসেনি। বরং একটি সুনির্দিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্যই তারা ওই সময়টি বেছে নিয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজ এখন এই মামলার অন্যতম প্রধান তথ্যপ্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে যা অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়তা করেছে।
২০৪ নম্বর কক্ষ এবং ঘাতক দলের উপস্থিতি
সাভারের ওই রিসোর্টের ২০৪ নম্বর কক্ষটিই ছিল এই ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু। তদন্তে জানা গেছে যে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মিরপুরের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন ওই কক্ষটি বুকিং দেন। আলমগীর পেশায় একজন মোটরসাইকেল চালক এবং এই কিলিং মিশনে তার ভূমিকা ছিল ফয়সালকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া। রিসোর্টের নাইট ডিউটিতে থাকা কর্মী হাবিবুর রহমান সিয়ামের মাধ্যমে কোনো পরিচয়পত্র ছাড়াই বা খুব সাধারণ পরিচয়ে কক্ষটি ভাড়া নেওয়া হয়। রাত ৪টা ৮ মিনিটে আলমগীরের সাথে দুই নারী ওই কক্ষে প্রবেশ করেন যাদের একজন ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া। চারজন মিলে প্রায় কয়েক ঘণ্টা ওই কক্ষে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। গোয়েন্দাদের ধারণা এই কক্ষে বসেই হাদির ওপর হামলার চূড়ান্ত সংকেত দেওয়া হয়েছিল। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে তারা দ্রুত রিসোর্ট ত্যাগ করেন যা থেকে বোঝা যায় যে তাদের মিশন বা পরিকল্পনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছিল।
অডিও রেকর্ডে মিলেছে হামলার নীল নকশা
এই মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হলো ঘাতকদের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড। গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আসা এই রেকর্ডে শুটার ফয়সাল এবং আলমগীরের কণ্ঠস্বর শনাক্ত করা গেছে। সেখানে হাদিকে হত্যার পদ্ধতি এবং কার কী দায়িত্ব থাকবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শোনা গেছে। অডিও রেকর্ডে হাদিকে জুলাইযোদ্ধা হিসেবে সম্বোধন করে তাকে চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল। গোয়েন্দারা বলছেন এই অডিও রেকর্ডটি প্রমাণ করে যে এটি কোনো তাৎক্ষণিক হামলা ছিল না বরং এটি ছিল দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল। কথোপকথনের ধরণ দেখে বোঝা যায় যে তারা অত্যন্ত পেশাদার কিলারদের মতো আচরণ করছিল। এই অডিও রেকর্ডে আরও কিছু নাম উঠে এসেছে যা এই ষড়যন্ত্রের শেকড় কত গভীরে তা বুঝতে সাহায্য করবে। এখন এই অডিও ক্লিপটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে যাতে আইনি প্রক্রিয়ায় একে জোরালো প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।
মূল শুটার দাউদ খান ও তার সহযোগীরা
শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার জন্য যাকে প্রধান শুটার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল তার নাম ফয়সাল করিম মাসুদ। অপরাধ জগতে সে দাউদ খান নামেই বেশি পরিচিত। দাউদ খান এর আগেও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে আলমগীর হোসেন যার দায়িত্ব ছিল হামলার পর ফয়সালকে মোটরসাইকেলে করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া। এছাড়া ফয়সালের বান্ধবী মারিয়ার ভূমিকাও ছিল রহস্যজনক। গোয়েন্দারা মনে করছেন মারিয়া মূলত নজরদারির কাজ করছিলেন এবং হাদির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করছিলেন। এই চারজনের বাইরেও আরও এক নারী ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যার পরিচয় উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এই ঘাতক চক্রটি মূলত একটি ভাড়াটে গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করছিল যাদের পেছনে বড় কোনো রাজনৈতিক বা অপরাধী চক্রের অর্থায়ন রয়েছে।
ডিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের সরেজমিন তদন্ত
গত বুধবার ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি বিশেষ গোয়েন্দা দল সাভারের ওই রিসোর্টে সরেজমিন তদন্ত চালায়। সাভার মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় তারা রিসোর্টের প্রতিটি কোনা তল্লাশি করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। গোয়েন্দা দলটি রিসোর্টের রেজিস্টার খাতা এবং কর্মীদের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছে যে ঘাতকরা ওই নির্দিষ্ট সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলছেন রিসোর্টের ২০৪ নম্বর কক্ষ থেকে তারা কিছু আলামত সংগ্রহ করেছেন যা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। গোয়েন্দা পুলিশের এই তৎপরতা প্রমাণ করে যে সরকার হাদি হত্যাচেষ্টার ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। সাভারের ওই রিসোর্টের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে যাতে তারা ঘাতকদের চেহারা বা অন্য কোনো বিশেষ চিহ্নের কথা মনে করতে পারেন। তদন্ত দল আশা করছে খুব দ্রুতই পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।
নাইট ডিউটি কর্মীর সাক্ষ্য
তদন্তের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে রিসোর্টের নাইট ডিউটি কর্মী হাবিবুর রহমান সিয়ামের সাক্ষ্য। সিয়াম পুলিশকে জানিয়েছেন যে আলমগীর হোসেন যখন কক্ষটি বুকিং দেন তখন তাকে খুব স্বাভাবিক মনে হয়েছিল। তবে ভোরের দিকে তাদের রুমে যখন নারীরা প্রবেশ করেন তখন সিয়াম কিছুটা সন্দেহ করলেও মালিকপক্ষের নির্দেশে বা নিয়মের কারণে তা উপেক্ষা করেন। সিয়াম আরও জানিয়েছেন যে ওই কক্ষ থেকে আসা আলোচনার শব্দ বাইরে থেকে খুব একটা বোঝা না গেলেও তাদের মধ্যে উত্তেজনার ভাব ছিল। সকালের দিকে যখন তারা রিসোর্ট ত্যাগ করেন তখন তারা খুব তাড়াহুড়ো করছিলেন বলে সিয়াম তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন। সিয়ামের এই সাক্ষ্য ঘাতকদের উপস্থিতিকে আইনত প্রমাণ করতে বড় ভূমিকা রাখবে। এখন রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকেও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে যে কেন তারা সন্দেহভাজনদের পরিচয় যাচাই না করে কক্ষ ভাড়া দিয়েছিল।
জুলাইযোদ্ধা হাদির ওপর হামলার প্রেক্ষাপট
শরীফ ওসমান হাদি কেবল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র নন বরং তিনি জুলাই বিপ্লবের একজন সাহসী সৈনিক। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তার সক্রিয় ভূমিকা তাকে অনেকের চক্ষুশূল করে তুলেছিল। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদের দোসর এবং বিপ্লববিরোধী শক্তিগুলো তাকে তাদের পথের কাঁটা মনে করতে শুরু করে। হাদি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের বিচার দাবি করে আসছিলেন। গোয়েন্দারা মনে করছেন তার এই কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতেই এমন ঘাতক চক্রকে ভাড়া করা হয়েছিল। হাদির ওপর হামলা মানে কেবল একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয় বরং এটি ছিল জুলাই বিপ্লবের স্পিরিটের ওপর একটি আঘাত। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়েই তদন্তকারীরা এখন ঘটনার নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। হাদির ওপর এই হামলার পরিকল্পনাটি মূলত বিপ্লব পরবর্তী স্থিতিশীলতাকে নস্যাৎ করার একটি বড় চক্রান্তের অংশ।
ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিক্রিয়া
হাদিকে হত্যার সুপরিকল্পিত ছকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে কোনো ষড়যন্ত্র করে জুলাই বিপ্লবের সেনানিদের দমানো যাবে না। তারা ঘাতকদের পাশাপাশি তাদের পৃষ্ঠপোষকদেরও অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছেন। ইনকিলাব মঞ্চের সমর্থকরা মনে করছেন যে এই ঘটনাটি জুলাই বিপ্লবের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার একটি অপচেষ্টা। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা এক বিবৃতিতে বলেছেন যে ঘাতকরা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক তাদের খুঁজে বের করতে হবে। এই ঘটনায় সারা দেশের ছাত্র সমাজের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। হাদির ওপর হামলাচেষ্টা মূলত বিপ্লবীদের ঐক্যকে আরও সুসংহত করেছে বলে অনেকে মনে করছেন।
অপরাধীদের গ্রেফতারে পরবর্তী পদক্ষেপ
গোয়েন্দা পুলিশ এখন তাদের তদন্তের দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে যেখানে পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হচ্ছে। ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার বান্ধবী মারিয়ার মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং করে তাদের সম্ভাব্য লুকানোর জায়গাগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ডিএমপি গোয়েন্দা শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে খুব শীঘ্রই এই চক্রের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। গোয়েন্দারা দেশের সীমান্ত এলাকাগুলোতেও সর্তকতা জারি করেছেন যাতে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। এছাড়া যে প্রভাবশালী চক্রটি এই হত্যার জন্য টাকা সরবরাহ করেছে তাদের শনাক্ত করতে ব্যাংক লেনদেন পরীক্ষা করা হচ্ছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে কোনো প্রকার শিথিলতা দেখানো হবে না বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা যে এই চাঞ্চল্যকর মামলার দ্রুত বিচার হবে এবং অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।
শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ছক কষা কেবল একটি অপরাধমূলক কাজ নয় বরং এটি দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার ওপর একটি বড় হুমকি। সাভারের রিসোর্টে বসে যে নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল তা গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতায় ভেস্তে গেছে। তবে এই ঘাতক চক্র এবং তাদের পেছনে থাকা কুচক্রী মহলের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। জুলাই বিপ্লবের রক্তভেজা মাটিতে কোনো ঘাতকের ঠাঁই হতে পারে না। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যদি দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করতে পারে তবেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশবাসী এখন সেই সময়ের অপেক্ষায় আছে যখন হাদির ওপর হামলাকারীরা তাদের কৃতকর্মের জন্য কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে বিপ্লবীদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নতুন বাংলাদেশের জন্য একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ।








