জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খানকে ঘিরে গত বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যক্তিজীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছিল। অবশেষে সেই সব গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন তিনি নিজেই। স্ত্রী রোজা আহমেদের সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়টি প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছেন এই তারকা।
সম্প্রতি তাদের বিবাহবার্ষিকী এক বছর পূর্ণ হলেও দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়নি, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের কানাঘুষা শুরু হয়। ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রশ্নের উত্তরে হোয়াটসঅ্যাপে এসব তথ্য জানিয়েছেন তাহসান।
বিচ্ছেদের গুঞ্জন ও তাহসানের নিশ্চিতকরণ
বিবাহবার্ষিকীতে একসঙ্গে না দেখা যাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাহসান জানান, আপাতত তিনি প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু বলতে চান না। তবে বিবাহবার্ষিকী উদ্যাপন নিয়ে যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সত্য নয় বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে সরাসরি জানতে চাইলে তাহসান বলেন, ‘সত্য বলতে আমাদের বিচ্ছেদের ঘটনা সত্য। এটা নিয়ে আমি বিস্তারিত কথা বলব। তবে এখন নয়।’
কেন এবং কবে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিষয়টি অনেক বড় এবং সবকিছু চূড়ান্ত হলেই তিনি বিস্তারিত জানাবেন।
কবে থেকে আলাদা আছেন তারা?
তাহসান নিশ্চিত করেছেন যে, তারা বেশ কিছুদিন ধরেই আলাদা থাকছেন। তাদের বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তটি গত বছরই নেওয়া হয়েছিল।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আমি অস্ট্রেলিয়া ট্যুরে আসি। সেই ট্যুরের আগেই আমরা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সেই সময় থেকেই আমি ফেসবুক ও গান থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছি।’
শারীরিক ও মানসিক অবস্থা
নিজের বর্তমান শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন এই গুণী শিল্পী। তাহসান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে ভালো নেই, তবে এর কারণ এখনই প্রকাশ্যে আনতে চান না। তার মানসিক অবস্থাও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। এই অসুস্থতার কারণেই ফোনে কথা না বলে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নের উত্তর দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন।
বর্তমানে কীভাবে সময় কাটছে এমন প্রশ্নে তাহসান জানান, তিনি এখন একা একা ভ্রমণ করছেন। তার কথায়, ‘ঘুরছি আর বই পড়েই সময় চলে যাচ্ছে। এই সময়ে বই-ই আমার সবচেয়ে বড় সঙ্গী।’
সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়ে তাহসান বলেন, ‘দোয়া করবেন যেন আমি এই কঠিন সময়টা দ্রুত পার করতে পারি।’








